বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘরের কাজের দ্বারাই শরীরচর্চা করা সম্ভব

বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘরের কাজের দ্বারাই শরীরচর্চা করা সম্ভব

আজবাংলা   এখানে অনেকে এমন আছেন, যাদের শরীর ঠিক রাখার জন্য জিমে যাওয়া খুব জরুরি। কিন্তু ব্যস্ততার কারনে সে আর হয়ে উঠে না। সেইকারনে ছুটির দিনে বা অফিস থেকে ফিরে যে যার মত করে ঘরে বসেই শরীরচর্চা করছেন। কিন্ত এদেরই মাঝে একদল এমনও আছে, যাদের শরীরচর্চার জন্য আলাদা করে সময় নেই।

সেক্ষেত্রে প্রশ্ন হচ্ছে, তাঁরা কী করবেন? সমীক্ষায় দেখা গেছে, এই অসুবিধা কেবল দেখা গেছে, বাড়ির মধ্যে থাকা হাউসওয়াফ, মা, জেঠিমাদের ক্ষেত্রে। সেইকারনে আজকের প্রতিবেদনে দেখে নেব তারা কীভাবে সময় ও কাজের মাধমেই শরীরচর্চা করবেন। আসুন দেখে নেওয়া যাক।

বিশেষজ্ঞদের মতে, জানানো হয়েছে নৈমিত্তিক ঘরের কাজের মাধ্যমেও শরীরচর্চা করা যায় এবং ব্যায়ামের মতোই উপকারও পাওয়া যায়! দেখে নিন কী ধরনের ঘরের কাজ করলে ফিট থাকবে শরীর।


১. কাপড় কাচা-   অনেকেই ওয়াশিং মেশিনে দিয়ে ঝটপট জামাকাপড় ধুয়ে নেন। কিন্তু হাতে কাপড় কাচার কাজটা যেমন পরিশ্রমসাধ্য, তেমনি শরীর ছিপছিপে রাখতেও সাহায্য করে। পুরো হাতের ব্যায়াম হয় কাপড় কাচলে। তেমনি বিছানার চাদরের মতো ভারী জিনিস অনেকেই পা দিয়ে ঘষে পরিষ্কার করেন, ফলে পায়ের পেশিগুলো অনেক বেশি সক্রিয় থাকে।

২. আলমারি গোছানো-  হাত উঁচু করে আলমারির উপরের তাক গোছালে বা দেওয়ালের উপরে লাগানো বইয়ের তাক পরিষ্কার করলেও পিঠের মেদ কমবে। একইভাবে নিচু হয়ে আলমারির নিচের তাক গোছালেও কোমর আর পায়ের ব্যায়াম করার মতোই ফল পাবেন।

৩. ঘর মোছা-  ঘরের যে সব কাজে সবচেয়ে বেশি শারীরিক কসরত করতে হয়, তার একদম উপরের দিকেই রয়েছে ঘর মোছা। তবে আধুনিক মপার দিয়ে মুছলে হবে না, আগেকার দিনের মতো মেঝেতে থেবড়ে বসে মুছতে হবে। প্রথম প্রথম কষ্ট হলেও চালিয়ে যান।

হাঁটু গেড়ে ঘর মোছার সময় পেট আর কোমরে চাপ পড়ে, পায়ের মাসলেরও ওয়ার্ক আউট হয়। বেশ কিছুদিন করে দেখুন, কোমর আর পেট কেমন ছিপছিপে হয়ে যায়।

৪. রান্না করা-   এই কাজটা শুনতে অপেক্ষাকৃত কম পরিশ্রমের মনে হলেও আগুনের আঁচে রান্না করতে গিয়ে যথেষ্টই ক্যালরি পোড়ে।

৫. ঝুল ঝাড়া-   ঘর মোছার চেয়ে এ কাজটা অপেক্ষাকৃত সহজ, কিন্তু এতেও ক্যালরি পোড়ে বিস্তর! যাঁদের পিঠ আর ঘাড়ের দিকটা ভারী, তাঁরা ঝুল ঝাড়লে দ্রুত পিঠের মেদ কমাতে পারবেন।



৬. বাসন মাজা-  হাত আর বাহুর জন্য এর চেয়ে ভালো ব্যায়াম নেই। ঘষে ঘষে বাসন মেজে পরিষ্কার করলে হাতের পেশি সক্রিয় থাকে, ক্যালরিও পোড়ে অনেকটাই।