জেনে নিন হঠাৎ মাংসপেশিতে টানের কারণ ও প্রতিকার

জেনে নিন হঠাৎ মাংসপেশিতে টানের কারণ ও প্রতিকার

আজবাংলা   মাংসপেশিতে অতিরিক্ত টান খেলে বা টিস্যু ছিঁড়ে যাওয়ার কারণে এমনটা হয়ে থাকে। এতে শরীরের ওই অংশটিতে ভীষণ ব্যথা হয়। ল্যাকটিক অ্যাসিড নিঃসরণের জন্য জ্বালাপোড়া করে। এ কারণে মাংসপেশি নাড়াচাড়া করা যায়না।

অনেকের রাতে ঘুমের মধ্যে মাংসপেশিতে টান ধরে, একে বলে ‘নাইট টাইম লেগ ক্র্যাম্পস’। এ ক্ষেত্রে সাধারণত হঠাৎ করে পায়ের কাফ মাসলে সংকোচন শুরু হয় এবং পেশি শক্ত হয়ে যায়। যখন তীব্র ব্যথায় ঘুম ভেঙে যায়।

সঠিক চিকিৎসার দ্বারা সারিয়ে তোলা সম্বব। ব্রিটিশ চিকিৎসাবিদরা এর একটি বিশেষ উপায় বার করেছেন। যার দ্বারা খুব সহজেই এটি সারিয়ে তোলা সম্বব। এই থেরাপিটিকে বলা হয় রাইস থেরাপি। এই রাইস থেরাপির ৪টি ধাপ হল: রেস্ট, আইস, কমপ্রেশন ও এলিভেট।

১. রেস্ট বা বিশ্রাম: সব ধরণের শারীরিক ব্যায়াম বা ক্রিয়াকলাপ বন্ধ রাখতে হবে। আঘাতপ্রাপ্ত স্থানে কখনও কোন ওজন নেয়া যাবেনা। ২. আইস বা বরফ - আঘাতের স্থানে দুই থেকে তিন ঘণ্টা পরপর ২০ মিনিটের জন্য বরফের ব্যাগ দিয়ে রাখুন।

৩. কমপ্রেশন বা সংকোচন - আঘাতপ্রাপ্ত স্থানটির নাড়াচাড়া নিয়ন্ত্রণে একটি ব্যান্ডেজ দিয়ে মুড়িয়ে নিতে হবে। ৪. এলিভেট বা উঁচু করা - অর্থাৎ আঘাতের স্থানটি যতটা সম্ভব বালিশের উপরে উঠিয়ে রাখতে হবে।

মাংসপেশির ফুলে ওঠা প্রতিরোধে কোন অবস্থাতেই আঘাত পাওয়ার প্রথম কয়েকদিন ওই স্থানে গরম সেক দেয়া বা গরম জল দেয়া যাবে না। এছাড়া আঘাতের স্থানে কোন অবস্থাতেই মালিশ করা যাবে না।

যখন আপনি ক্ষতস্থানটি স্বাভাবিকভাবে নাড়াচাড়া করতে পারবেন। খুব একটা বেশি ব্যথা নেই। তখন আস্তে আস্তে স্বাভাবিক কাজ করার চেষ্টা করুন। নাড়াচাড়া করার চেষ্টা করুন যাতে জয়েন্ট বা পেশী শক্ত না হয়ে যায়।