দেখে নিন খাঁটি ঘি বুঝবেন কি করে

দেখে নিন খাঁটি ঘি বুঝবেন কি করে

আজবাংলা এখন প্রায় সব খাবারেই ভেজাল মেশানো থাকে। ব্যবসায় অধিক লাভের আশায় দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে ভেজালের কারবার। গরু, ভেড়া বা ছাগলের দুধ থেকে ঘি বানানো যায়। তবে সাধারণত গরুর দুধ থেকেই ঘি তৈরি করা হয়। দুধ থেকে বাটার বা মাখন বানাতে হবে।

তারপর সেই মাখন ভালোভাবে ফেটে নেওয়ার বা মথিত করার পর জ্বাল দিলে ঘি হবে। ঘরেও এভাবেই ঘি বানানো হয়। তবে অনেকেই দুধের সর থেকে ঘি তৈরি করেন। দির্ঘদিন ধরে সর জমা কর তারপর সেটি বেটে বা ব্লেন্ড করে জ্বাল দিলে ঘি হয়।

আসুন আজকের প্রতিবেদনে দেখে নিন কীভাবে বুঝবেন  ঘি বা মাখনে ভেজাল মেশানো আছে কিনা


বিশুদ্ধ ঘি বা মাখনে ভেজাল হিসেবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়ে থাকে ডালডা। এক চামচ ঘি বা মাখন গলিয়ে একটি স্বচ্ছ কাঁচের বয়াম বা বোতলে রাখুন। এতে একই পরিমাণ মিউরিঅ্যাটিক অ্যাসিড ও সামান্য চিনি মেশান।

এরপর এর মুখ বন্ধ করে খুব জোরে জোরে ঝাঁকান। কিছুক্ষণ ঝাঁকানোর পর পাত্রটি স্থির অবস্থায় রেখে দিন। কিছুক্ষণ পর এর নিচে যদি লাল রঙের আস্তরণ পড়ে, তাহলে বুঝবেন এতে ভেজাল মেশানো রয়েছে। যদি ঘি নিয়ে আপনার সন্দেহ থাকে তাহলে পুরোটা ঘি একটি পাত্রে ঢেলে চুলায় জ্বাল দিন। প্রথমে চুলার আঁচ কমিয়ে জ্বাল দিন। 

তারপর আঁচ বাড়িয়ে দিন। মিনিট দুয়েক জ্বাল দিন। তারপর হালকা ঠান্ডা করে কাঁচের জারে রাখুন। ঠান্ডা হলে যদি দেখেন পাত্রের নিচের দিকে সাদা জমাট বেঁধে থাকে এবং উপর দিকে তেল উঠে থাকে তার মানে বুঝতে হবে এটা ভেজাল। আর যদি জ্বাল দেয়ার পর কিছু আলাদা না হয়ে সবটাই মিশে থাকে তাহলে এটা খাঁটি।

পাশাপাশি আরও একটি উপায় রয়েছে, এক চামচ ঘি হাতের তালুতে ফেলুন। তার পর সেই ঘি দুই হাতে ঘষে নিন। যদি দেখেন, দানার মতো কিছু ঘঁষা খাচ্ছে, তা হলে বুঝবেন ঘি আসল নয়। এছাড়া ১৫ মিনিট পর যদি হাত থেকে ঘিয়ের গন্ধ উবে যায়, তা হলেও বুঝবেন ঘি নকল।