ইউরিক অ্যাসিড-এর সমস্যায় ভুগছেন? উপায় কী জানুন

ইউরিক অ্যাসিড-এর সমস্যায় ভুগছেন? উপায় কী জানুন

আজ বাংলা:  ইউরিক অ্যাসিড...অনেকের জীবনে কলগ্রহ। মানুষের রক্তে এর পরিমাণ বেড়ে যাওয়া এক জটিল সমস্যা। এর পরিমাণ বেড়ে গেলে গাঁটে বাত, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনি অকেজো হওয়ার মতো সমস্যা হতে পারে।সাধারণত অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভাস এবং অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাত্রার কারণে রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের (uric acid) পরিমাণ বেড়ে যায়। একে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে আপনার খাদ্যাভ্যাস বদলাতে হবে কিছুটা। কী করতে হবে তাহলে আসুন জেনে নিন এক নজরে।

১) রান্নায় তেল মশলা কম দিন। এছাড়া বড় মাছ, রেড মিট, দুধ, বেকন, কলিজা, চিনি এড়িয়ে চলুন। ইউরিক এসিডের সমস্যা হলে সামুদ্রিক মাছও এড়িয়ে চলুন।

২) ফ্যাট ফ্রি দুধ খাওয়া শুরু করুন। এছাড়া পিনাট বাটার, ফল, শাকসবজি বেশি পরিমাণে খান। শস্যদানা, রুটি, আলু খেতে পারেন। এছাড়া দুধ ও চিনি ছাড়া ব্ল্যাক কফি খাওয়ার অভ্যাস করুন।

৩) এছাড়া অ্যাসপিরিন জাতীয় ওষুধ থেকে দূরে থাকুন।

৪) যারা এই সমস্যায় ভুগছেন তাঁরা নিয়মিত ব্যায়াম করুন। এ জন্য হাঁটা বা সাঁতার বেছে নিতে পারেন। ওজন কোনও ভাবেই বাড়তে দেবেন না। রক্তচাপ, কোলেস্টেরল, হৃদরোগ থাকলে ইউরিক এসিড বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

যার ফলে সবসময় নিজের শরীরের প্রতি যত্নশীল হোন।

৫) বাজারে পাওয়া জুস, কোমল পানীয়, লসসি খাওয়া একদমই ঠিক নয়। এতে বিপাকে সমস্যা হয়।

৬) চা নয়, কফি খাওয়ার অভ্যাস করুন। প্রতিদিন তিন থেকে চার কাপ কালো কফি খেলে শরীর ভালো থাকে। তবে এতে যাতে কিডনির সমস্যা না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

৭) খাদ্য তালিকায় ভিটামিন সি রাখুন। নিয়মিত লেবু বা ভিটামিন সি-যুক্ত ফল খান। ভিটামিন সি ইউরিক এসিড নিয়ন্ত্রণে দারুণ কাজ করে।

৮) প্রোটিন হজমের পর শরীর কিন্তু অ্যামোনিয়া উৎপাদন করে। এর থেকেও ইউরিক অ্যাসিড সৃষ্টি হয়। তাই অতিরিক্ত প্রোটিন গ্রহণ বন্ধ করুন। একজন মানুষের ওজনের উপর নির্ভর করে তিনি কতটা প্রোটিন খাবেন।প্রতিদিন প্রতি ১ কেজি ওজনের জন্য ১ গ্রাম প্রোটিন খাওয়া উচিত। যাঁরা নিয়মিত ব্যায়াম করেন বা পরিশ্রমসাধ্য কাজ করেন তাঁরা সামান্য বেশি প্রোটিন খেতে পারেন।