আটচল্লিশতম বছরে পঁচিশ কেজি সোনার সাজে সাজছেন শ্রীভূমির মা দুর্গা

আটচল্লিশতম বছরে পঁচিশ কেজি সোনার সাজে সাজছেন শ্রীভূমির  মা দুর্গা

আজবাংলা   করোনা আবহেও ঘরে আসছেন উমা, দুর্গা পুজোর ঢাকে কাঠি পড়ে গিয়েছে। অতিমারী নিয়ে যতই টানাটানি থাক, শহর সাজছে নতুন করে। এত মৃত্যু, এত আশঙ্কার মধ্যেও শহরের বুকে সুর তুলছে দেবীর আগমনবার্তা।বারোয়ারি পুজোয় এবার হাজার নিয়মের ভিড়। করোনা আটকাতে করতে হচ্ছে খোলামেলা মণ্ডপ। বেশি ভিড় করা বারণ এবারের পুজোয়।

সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ঠাকুর দেখার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। সেই নির্দেশ মেনেই শেষ দফার প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে পুজোর। পড়তে শুরু করেছে শেষ তুলির টান। কলকাতার অন্য পুজোর মতো এবারেও বিশেষ সাজে সাজছে শ্রীভূমি স্পোর্টি ক্লাবের পুজো মণ্ডপ। আটচল্লিশতম বছরে শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবে এবার কেদারধাম।

সোনা-ঝলমলে দুর্গা। বুধবার পঁচিশ কেজি সোনার গয়নায় সাজানো হয় দুর্গাকে। ছিলেন দমকলমন্ত্রী তথা পুজোর উদ্যোক্তা সুজিত বসু। বৃহস্পতিবার উদ্বোধন। ভার্চুয়ালি পুজোর উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী। তার আগে সোনার গয়নার সাজে সেজে উঠলো প্রতিমা। সেজে উঠলেন মা দুর্গা।সোনার ঠাকুর, সোনার গয়না, রূপার মণ্ডপ, এসব করে কলকাতার অনেক পুজোই এর আগে তাক লাগিয়েছে।

নজর কেড়েছিল সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের পুজোও। কিন্তু এবারে সেই তালিকায় নাম লেখালো লেকটাউনের শ্রীভূমি স্পোর্টি। তৃতীয়ার দিন থেকে এবার ঠাকুর দেখতে পারবেন সাধারণ মানুষ, এমনই ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে মহালয়ার প্রায় এক মাস বাদে এবারের পুজো। মাঝে পড়েছিল মলমাস। সাধারণত, পুজো সহ কোনও শুভ অনুষ্ঠান এই মলমাসে হয় না।

তাই অক্টোবরের একেবারে শেষে এসে এবারের পুজো আয়োজিত হচ্ছে। তাতেই অনেকে যেন একটু হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছেন। কারণ, পুজো মানেই খাওয়া দাওয়া, আনন্দ, গান বাজনা। যতই রোগের ভ্রুকুটি থাক, পুজোর সময় একটু আনন্দ ভাগ করে নেওয়া যাবে না তা কী হয়। সেই কারণেই সাধারণ মানুষকে সেই পুজোর আমেজ পৌঁছে দিতে এবারে মা দুর্গাকে সোনার গয়নায সাজাচ্ছে শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাব।