দিঘার সমুদ্র দেখানোর নাম করে নাবালিকাকে হোটেলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ

দিঘার সমুদ্র দেখানোর নাম করে নাবালিকাকে হোটেলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ

ফের নাবালিকা ধর্ষণ! এবার দিঘার সমুদ্র দেখানোর নাম করে উচ্চ মাধ্যমিক ছাত্রীকে হোটেলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠল এক যুবকের বিরুদ্ধে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কাঁথি থানার পদ্মপুকুরিয়া এলাকার ছাত্রীকে দিঘায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযুক্তকে অবশ্য গ্রেফতার করেছে কাঁথি মহিলা থানার পুলিশ।  পুলিশ জানায়, ধৃত যুবকের নাম রাজীব কামিলা।

মারিশদা থানার বলাগেড়িয়া গ্রামের যুবক রাজীব এক উচ্চ মাধ্যমিক ছাত্রীকে ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ। বুধবার অভিযুক্তকে কাঁথি মহকুমা আদালতে তোলা হয়। বিচারক তার জামিন নাকচ করে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন।  স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বছর মারিশদা থানার বলাগেড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা রাজীব কামিলার সঙ্গে কাঁথির পদ্মপুকুরিয়া এলাকার বাসিন্দা এক উচ্চ মাধ্যমিক ছাত্রীর ফেসবুকে পরিচয় হয়।

ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। এরপর ওই উচ্চ মাধ্যমিক ছাত্রী তথা বান্ধবীকে দিঘার সমুদ্র দেখানোর প্রতিশ্রুতি দেয় রাজীব।  তারপর চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে বান্ধবীকে দিঘায় নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করে রাজীব। বন্ধুর সঙ্গে দিঘার সমুদ্র দেখার জন্য পরিবারের সদস্যদের কোনও কিছু না জানিয়ে রাজীবের সঙ্গে দিঘা রওনা দেয় ওই ছাত্রী।

এরপর সৈকত নগরী দিঘায় বান্ধবীকে নিয়ে গিয়ে একটি হোটেলে ওঠে রাজীব। সেই হোটোলেই রাজীব ছাত্রীকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। সুবিচারের আশায় গত ১৯ জানুয়ারি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ওই নাবালিকা ছাত্রী কাঁথি মহিলা থানায় গিয়ে অভিযুক্ত বন্ধুর বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা দায়ের করে। নাবালিকার অভিযোগ পেয়ে নড়েচড়ে বসে কাঁথি মহিলা থানার পুলিশ। এরপর পুলিশ তদন্তে নামলে অভিযুক্ত রাজীব এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায় এবং আত্মগোপন করে থাকে। অবশেষে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে গত মঙ্গলবার বলাগেড়িয়া গ্রামের বাড়ি থেকেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। 

প্রসঙ্গত, ইদানিংকালে রাজ্যে একের পর এক ধর্ষণের ঘটনা প্রকাশ্যে আসছে। নদিয়ার হাঁসখালিতে নাবালিকার ধর্ষণ ও ধর্ষণের পর তড়িঘড়ি দেহ পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় রাজ্য-রাজনীতি সরগরম। এরপর দক্ষিণ ২৪ পরগনার নামাখানাতেও নাবালিকা ধর্ষণের ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। এরই মধ্যে এই ঘটনায় নতুন করে ছড়াল চাঞ্চল্য।