বিশ্বের চুতর্থ দেশ হিসেবে হাইপারসনিক যুগে প্রবেশ করল ভারত।

বিশ্বের চুতর্থ দেশ হিসেবে হাইপারসনিক যুগে প্রবেশ করল ভারত।

আজবাংলা    বিশ্বের চুতর্থ দেশ হিসেবে হাইপারসনিক যুগে প্রবেশ করল ভারত। হাইপারসনিক টেকনোলজি ডেমোন্সট্রেশন ভেহিকল বা এইচটিডিভি সফল উৎক্ষেপণ। শব্দের চেয়ে ৬ গুণ বেশি গতিসম্পন্ন যানের (হাইপারসনিক) পরীক্ষামূলক উড়ান সফল হয়েছে বলে আজ জানালেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ।

এই সাফল্যের জন্য প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থার (ডিআরডিও) বিজ্ঞানীদের অভিনন্দনও জানিয়েছেন তিনি। এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ওই গতিসম্পন্ন ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করা সম্ভব। ভারত ছাড়া ওই প্রযুক্তি হাতে রয়েছে কেবল আমেরিকা, রাশিয়া ও চিনের। ডিআরডিও সূত্রে খবর, সকাল এগারোটা বেজে তিন মিনিট নাগাদ অগ্নি ক্ষেপণাস্ত্রের উৎক্ষেপণকারী যান এইচএসটিডিভি-কে ৩০ কিলোমিটার উচ্চতায় নিয়ে যায়।

তার পরে উৎক্ষেপণকারী যানটি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। খুলে যায় এইচএসটিডিভি-র ‘এয়ার ইনটেক’। ফলে পরীক্ষামূলক ভাবে তৈরি স্ক্র্যামজেট ইঞ্জিন চালু হয়। সব দিক থেকেই পরীক্ষা সফল হয়েছে। রাজনাথ সিংহের কথায়, ‘‘আত্মনির্ভর ভারত গড়ার পথে এটি আর একটি ধাপ।’’ বিজ্ঞানীদের অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন,

‘‘এই প্রযুক্তি অত্যন্ত কম সংখ্যক দেশের হাতে রয়েছে।’’ ডিআরডিও সূত্রে খবর, আজ সকাল এগারোটা নাগাদ ওড়িশার বালেশ্বরে এপিজে আব্দুল কালাম ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা কেন্দ্রে পাঁচ মিনিট ধরে চলে ‘এইচএসটিডিভি’ নামে ওই যানটির পরীক্ষামূলক উড়ান।

এই পরীক্ষার দায়িত্বে ছিলেন ডিআরডিও প্রধান সতীশ রেড্ডি ও সুপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা সংক্রান্ত দলের সদস্যেরা। ডিআরডিও সূত্রে খবর, এই পরীক্ষা সফল হওয়ায় ভারতীয় বিজ্ঞানীরা পাঁচ বছরের মধ্যেই এমন ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করতে পারবেন যা সেকেন্ডে ২ কিলোমিটার গতিতে উড়তে সক্ষম।