সিগারেটের অবশিষ্টাংশ দিয়ে হল নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য, অবাক করলেন ভারতীয় যুবক

সিগারেটের অবশিষ্টাংশ দিয়ে হল নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য, অবাক করলেন ভারতীয় যুবক

আজবাংলা   ধূমপানের বদভ্যাস আমাদের সব জায়গায় হয়ে গেছে। সে রাস্তায় হোক কি বাড়ির বাইরে। শুধু ধুমপান করেই পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হয়। এর পাশাপাশি আরও হয় যখন সেই সিগারেটের পোড়া অংশ যেখানে সেখানে ফেলে রাখে বেশিরভাগ মানুষই। এর ফলে অনেক জায়গায় লক্ষ্য করে দেখা গেছে, সিগারেটের (Cigarette) অবশিষ্টাংশের স্তূপ। পরিবেশ দূষণের সব থেকে বড় কারন এটিও।

গবেষণায় দেখা গিয়েছে, এই সিগারেটের পোড়া অংশ খুব সহজে মাটিতে মেশে না। এটি পুরোপুরি মাটিতে মিসে যেতে সময় লাগে প্রায় দশ দশটা বছর। সম্প্রতি দারুন এক উপায় বের করেছেন এক ভারতীয়। তিনি এই সিগারেটের সমস্ত পোড়া অংশগুলিকে নিয়ে রিসাইকেল অর্থাৎ পুনঃ ব্যবহারযোগ্য করে তুলছেন। আশ্চর্য মনে হলেও বিষয়টি একবারে সত্যি।

তিনি সিগারেটের অবশিষ্টাংশগুলোকেই বেছে নিয়েছেন নতুন কিছু দ্রব্য তৈরি করার জন্য। এই ভারতীয় যুবকের নাম নমন গুপ্ত (Naman Gupta)। তিনি সিগারেটের অংশগুলি থেকে বালিশ, চাবির রিং–সহ আরও অনেক কিছু তৈরি করছেন। একদিকে যেমন পরিবেশ দূষণ কমাচ্ছেন, অন্যদিকে ব্যবসায়িক দিক থেকেও লাভবান হচ্ছেন। তার ওই সংস্থার তৈরি জিনিসের চাহিদা রয়েছে গোটা দেশজুড়ে।

নমন গুপ্ত ২০১৮ সালে কোড এফোর্ট প্রাইভেট লিমিটেড (Code Effort Private Limited) নামে সংস্থাটি তৈরি করেন। তাঁর এই বিষয়টি সোশ্যাল মিডিয়াতেও রীতিমত হইচই গেলে দিয়েছে। এখনো পর্যন্ত ৩০০ মিলিয়ন সিগারেটের অবশিষ্টাংশকে পুনর্ব্যবহারযোগ্য করেছেন। কিভাবে এই অদ্ভুত উপায় বার করলেন তিনি?

এই প্রশ্নের উত্তরে জানিয়েছেন তিনি, ‘‌‘‌ যখন পিজিতে থাকতাম পড়াশোনার সময়, সেইসময় দেখতাম বন্ধুরা কিংবা রুমমেটরা সিগারেট খেয়ে ফেলে দিচ্ছে যেখানে সেখানে। এরপর গুগল থেকে পড়াশোনা করে জানতে পারি, দশ বছরেও সিগারেটের অবশিষ্টাংশে পচন ধরে না। কারণ কাগজের ভিতরে থাকা পলিমার বা ফাইবারের তৈরি ফিল্টারটি। এরপর এই বিষয়টি নিয়ে রিসার্চ করি। তখন থেকেই এই ভাবনাটি জন্ম নেয়।’‌’‌