K অক্ষর দিয়ে শুরু নামের মানুষরা কেমন হয়

K অক্ষর দিয়ে শুরু নামের মানুষরা কেমন হয়

কথায় আছে, নাম দিয়ে যায় চেনা। এটা কিন্তু খুব ভুল কথা নয়। আপনার নামের প্রথম অক্ষর বলে দেবে আপনি কী ধরনের মানুষ। প্রত্যেকের নামেরই একটা বিশেষত্ব আছে, যা থেকে সেই ব্যক্তির চরিত্র সম্পর্কে একটা ধারণা করা যায়। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, নামের প্রথম অক্ষর অনেক অর্থ বহন করে। নামের প্রথম অক্ষর দিয়ে সেই ব্যক্তি সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পারা যায়।

নামের প্রথম অক্ষর দিয়ে আপনি নিজের ভাগ্য যাচাই করতে পারেন। তাই নামের প্রথম অক্ষরের যথেষ্ট গুরুত্ব আছে। দেখে নিন আপনার নামের প্রথম অক্ষর আপনার সম্পর্কে কী বলছে। ইংরাজি বর্ণমালায় ১১ তম অক্ষর হল K। আর এই অক্ষরটি দিয়ে নাম শুরু হয়েছে এমন বহু জনই রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে কেউ যদি আপনার বন্ধু হয়, তাহলে তো নিশ্চয়ই কৌতূহল থাকবে তার সম্পর্কে জানবার জন্য।

আর সেই কৌতূহল নিরসন করার জন্য জানিয়ে রাখা ভালো যে কোনও কিছু পাওয়ার জন্য এঁরা বহুদূর পর্যন্ত যেতে পারেন। অতএব এঁদের থেকে সাবধান! তবে K কারোর নামের আদ্যাক্ষরে থাকলে সেই মানুষরা বেশির ভাগ ক্ষেত্রে, জেদকে ইতিবাচকভাবেই কাজে লাগায়। 

সংখ্যাতত্ত্ব অনুযায়ী K এর সঙ্গে ২ নম্বর সংখ্যাটি সম্পর্কিত। তাই ২ সংখ্যার যা যা গুণ রয়েছে, তাইই বিদ্যমান এই আদ্যাক্ষরের নামের মানুষদের মধ্যে। এঁরা যে কোনও পরিস্থিতিতে সমতা রক্ষা করে চলেন। তাই কোনওভাবে বিপদে পড়লেও এঁরা উতরে নিতে পারেন নিজেকে। এঁরা নিজের দ্বারা আশপাশের লোকজনকে প্রভাবিত করতে পারেন। এই ধরণের মানুষরা খুবই দৃঢ়মনস্ক হন।

K= K যদি আপনার ইংরাজি নামের বানানের প্রথম অক্ষর হয়ে থাকে, তা হলে আপনি নিজেকে বা নিজের অনুভবকে শুধু আলোকিত করেছেন তাই নয়, সেই সঙ্গে আলোকিত করেছেন আপনার শিল্প প্রতিভাকে। আপনি কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে খুব গভীর থেকে তাকে নিয়ে নানা ভাবে নাড়াচাড়া করে দেখে থাকেন। আপনার চারপাশে সকলে আপনাকে এমন ভাবে চেনে যে তারা সব সময় আপনার উপর ভরসা রেখে চলতে পারে। কারণ আপনি নিজেই একটা বল বা শক্তির আধার, অন্ততপক্ষে তাদের কাছে।

সাবধানে থাকবেন, ইতস্তত ভাব ও দুশ্চিন্তা আপনাকে থেকে থেকেই বিঁধতে পারে। তবে কোনও জায়গায় অশান্তি শুরু হলে, সেখানে শান্তি স্থাপনের জন্য সবচেয়ে আগে উদ্যোগ নেন এই মানুষরা। তাঁরা সবসময়ে ভালো কাজ করেন । এই ধরনের মানুষরা খুবই ভালো মধ্যস্থতাকারী হিসাবে প্রতিপন্য হন। ভালো কাজ করে দেখানোর জন্য প্রয়োজনীয় গুণ এঁদের মধ্যে থাকে।

প্রত্যেককে সঙ্গে নিয়ে চলতে এঁরা পছন্দ করেন। গোষ্ঠীবদ্ধ হয়ে কাজ করার ক্ষেত্রে এঁদের জুড়ি মেলা ভার। তবে এঁরা সাধারণত অন্যের উপর নির্ভর করে চলতে পছন্দ করেন। তবে এঁরা নিজেরা নিজের কাছে সৎ থাকেন। নিজেকে সৎ রাখতে এঁরা যাবতীয় চেষ্টা করেন। তার ফলে এই ধরনের মানুষদের আশপাশে সব সময়ে কেউ না কেউ থাকেন। তবে বেশ কিছু সময়ে দেখা যায়, কারণে অকারণে এঁরা জীবন নিয়ে বিরক্ত হয়ে যান। ফলে তখন নেমে আসে অবসাদ।