কেদারনাথের স্মৃতি উস্কে উত্তরাখন্ডে ফের তুষার ধস, জারি হাই অ্যালার্ট!

কেদারনাথের স্মৃতি উস্কে উত্তরাখন্ডে ফের তুষার ধস, জারি হাই অ্যালার্ট!

ভেঙে পড়ল নন্দাদেবী হিমবাহের একাংশ। ভয়াবহ তুষার ধস উত্তরাখন্ডে, খালি করা হল পার্শ্ববর্তী গ্রাম। ধসের জন্য ধৌলিগঙ্গার বাঁধে ভাঙন ধরেছে। চামোলি হিমবাহে ফাটলের কারণে এই ধস বলে জানতে পারা যাচ্ছে। পাশে জোশীমঠের কাছে গ্রামের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা। পার্শ্ববর্তী ধুলিগঙ্গার পাশের গ্রামও খালি করা হচ্ছে। উদ্ধার কাজে নেমেছে ITBP, NDRF, SDRF।

দিল্লি থেকে NDRF-এর আরও সেনাকে উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কেদারনাথের স্মৃতি উস্কে দিল জোশীমঠের ঘটনা। এখনও পর্যন্ত প্রায় ১৫০ জন বাসিন্দা নিখোঁজ, তাঁরা জলের তোড়ে ভেসে গিয়েছেন বলেই সন্দেহ। এবার বদ্রীনাথ মন্দিরের কাছাকাছি এলাকায় ঘটেছে এই তুষার ধস।

২০১৩ সালে উত্তরাখণ্ডে যে ভয়াবহ তুষার ধসের কারণে হড়পা বান হয়, তা ছিল কেদারনাথ মন্দির সংলগ্ন এলাকায়। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চামোলির তপোবন এলাকার রেইনি গ্রামের কাছে বিদ্যুত্‍ প্রকল্প। সেখানে যাঁরা কাজ করছিলেন তাঁদের ভেসে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী ত্রিভেন্দ্রা সিং রাওয়াত টুইট করে বলেন, 'আমি নজর রাখছি গোটা ঘটনার, প্রত্যেককে অনুরোধ করছি কোনও পুরানো ভিডিও শেয়ার করে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেবেন না।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজন সকলের পদক্ষেপ। ধৈর্য রাখুন। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কাছে আমাদের হাত বাঁধা'। তিনি তাঁর টুইটে অলোকানন্দার নিম্নাঞ্চলে বন্যার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেছেন। সবমিলিয়ে অবস্থা যথেষ্ট ভয়াবহ, মৃতের আশঙ্কাও করা হচ্ছে। চামোলি হিমবাহে ফাটলের কারণে এই ধস বলে মনে করা হচ্ছে। 

উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী ত্রিবেন্দ্র সিং রাওয়াত এলাকা পরিদর্শনে গিয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। তিনি জানিয়েছেন, প্রবল বৃষ্টি ও প্লাবনের ধাক্কায় চামোলির রেনি গ্রামে ঋষিগঙ্গা প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। অলকানন্দায় নিচু এলাকাও জলে ভেসে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। আগাম সতর্কতা অবলম্বন করে ভাগিরথীর গতিপথ রুদ্ধ করা হয়েছে। সেজন্য খালি করে দেওয়া হয়েছে শ্রীনগর ও ঋষিকেশ বাঁধ।