রাগের মাথায় কথা বলার আগে চাণক্য নীতির এই উপদেশ মাথায় রাখুন

রাগের মাথায় কথা বলার  আগে চাণক্য নীতির এই উপদেশ মাথায় রাখুন

 আপনি কি রাগের মাথায় কটু কথা বলেন ? প্রত্যেক ব্যক্তিরই চিন্তাভাবনা করে কথা বলা উচিত। কখন, কী এবং কীভাবে কথা বলতে হবে তা বোঝা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ আপনি মুখ যে যে শব্দগুলি বলেছেন চাইলেও তা প্রত্যাহার করতে পারবেন না। তাই রাগের মাথায় কটু শব্দ প্রয়োগের আগে মাথায় রাখুন  চাণক্য নীতি Chanakya Niti  এই উপদেশগুলি।  

ভারতের মাটিতে যে সব মহান ব্যক্তি জন্ম নিয়েছেন তাদের মধ্যে চন্দ্রগুপ্ত বিক্রমাদিত্যের প্রধানমন্ত্রী চাণক্য প্রাতঃস্মরণীয়। এখনো পর্যন্ত তার মত একাধারে রাজনীতি, কূটনীতি, যুদ্ধ বিশারদ ও অর্থনীতিবিদ মানুষ ভারতের মাটিতে জন্ম নেয় নি। চন্দ্রগুপ্তের মহামন্ত্রী হলেও তিনিই ছিলেন সাম্রাজ্যের আসল চালিকাশক্তি। চন্দ্রগুপ্তের সিংহাসন আরোহন থেকে শুরু করে নির্বিঘ্নে রাজ্য শাসন সমস্তই তারই উর্বর মস্তিষ্কের ফসল।

ভারতীয় সাহিত্য ও লোকগাঁথায় চাণক্য এক কিংবদন্তি স্বরূপ। তিনি তার বিশাল জ্ঞান লিপিবদ্ধ করেছিলেন অর্থশাস্ত্র ও চাণক্য নীতি নামের দুটি গ্রন্থে। বস্তুত এই দুই গ্রন্থে চাণক্যের দেওয়া উপদেশাবলি যদি কেউ অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলতে পারে তবে নাম, যশ, খ্যাতি ও সম্পদের চূড়ায় ওঠা সম্ভব।  রাগের মাথায় অনেক মানুষেরই মাথার ঠিক থাকে না।

তখন তারা অন্যকে খারাপ কথা বলে ফেলে। যখন তার মাথা শান্ত হয় তখন তিনি ভুল বুঝতে পারেন এবং নিজের কৃতকর্মের জন্য অনুতপ্ত হন। কিন্তু তখন আর কিছু করার থাকে না, কারন বলে ফেলা শব্দ আর প্রত্যাহার করা যায় না। আচার্য চাণক্য এই ব্যাপারে বলেছেন,  কথা বলার সময় অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে যে সে কী বলছে এবং ফলাফল কী হবে।

কোনও ব্যক্তি তার কথার পরিণতি সম্পর্কে জেনে থাকলে সতর্ক হতে পারে। সুতরাং, যদি কোনও ব্যক্তি কথা বলার আগে চিন্তা করে তার বক্তব্য অন্যকে কতটা আঘাত করতে পারে, তবে তার বক্তব্যটি কোনও সামনের ব্যক্তিকে ক্ষতি করবে না। 

প্রসঙ্গত রাগের মাথায় অনেক মানুষেরই মাথার ঠিক থাকে না। তখন তারা অন্যকে খারাপ কথা বলে ফেলে। যখন তার মাথা শান্ত হয় তখন তিনি ভুল বুঝতে পারেন এবং নিজের কৃতকর্মের জন্য অনুতপ্ত হন। কিন্তু তখন আর কিছু করার থাকে না, কারন বলে ফেলা শব্দ আর প্রত্যাহার করা যায় না। মুখের কথা আর ধনুক থেকে নিক্ষিপ্ত তীর একই।

আচার্য চাণক্য এই ব্যাপারে বলেছেন, কথা বলার সময় অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে যে সে কী বলছে এবং ফলাফল কী হবে। কোনও ব্যক্তি তার কথার পরিণতি সম্পর্কে জেনে থাকলে সতর্ক হতে পারে। সুতরাং, যদি কোনও ব্যক্তি কথা বলার আগে চিন্তা করে তার বক্তব্য অন্যকে কতটা আঘাত করতে পারে, তবে তার বক্তব্যটি কোনও সামনের ব্যক্তিকে ক্ষতি করবে না।