ফেক' ট্যুইট করে বিড়ম্বনায় কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র

ফেক' ট্যুইট করে বিড়ম্বনায়  কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র

২৩ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতি ভবনে নেতাজির একটি ছবির আবরণ উন্মোচন করেছিলেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। সেই ছবি টুইট করে মহুয়া মৈত্র সোমবার দাবি করেন, এটি ‘গুমনামী’-র প্রসেনজিতের ছবি। নেতাজির ছবি নয়। সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয়ে যায় হইচই। বিতর্কের জল এতটাই গড়ায় যে কেন্দ্রীয় সরকারকে বিবৃতি দিয়ে জানাতে হয় এটি নেতাজিরই ছবি।

পোস্ট করেন ‘গুমনামী’ ছবির পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায় ও অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। তাঁরাও স্বীকৃতি দেন সরকারি দাবিকেই। পরে দেখা যায় মহুয়া তাঁর টুইটটি ডিলিট করে দিয়েছেন।  বিকৃত তথ্য পরিবেশন করে ভুয়ো বিতর্ক তৈরির চেষ্টা চলছে। আর সেই বিকৃত তথ্য পরিবেশনার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে।

দেশের রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ট্যুইট করে দলীয় সাংসদ বিড়ম্বনা বাড়ানোয় অবশ্য মুখ খুলতে হয়েছে তৃণমূলকে। দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, 'একটা বিতর্ক তৈরি হয়েছে ছবিটি। কিন্তু নেতাজির কত প্রচলিত ছবি ছিল। সেগুলির মধ্যে কোনও ছবি ব্যবহার করাই যেত। কিন্তু তা করা হল না কেন?' যদিও নেতাজি নিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধেও সরব হয়েছে বিরোধীরা।

সৃজিতের মতো ট্যুইট করেন প্রসেনজিৎও। তিনি লেখেন, 'আমাদের জাতীয় হিরো নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর অসাধারণ একটি চিত্র আঁকার জন্য পরেশ মাইতিকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আমি অভিনেতা হওয়ার সুবাদে ছবিটি দেখে অনেকেই সৃজিৎ মুখোপাধ্যায়ের পরিচালনা ও সোমনাথের করা মেকআপ-এ 'গুমনামি'র চরিত্রটির সঙ্গে মিল খুঁজে পেয়েছেন।' অর্থাৎ, সাংসদ হয়েও মহুয়ার ট্যুইট শাসক দল তৃণমূলেরই বিড়ম্বনা বাড়াল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।