ভিটামিনে ভরপুর লটকনের এই স্বাস্থ্য উপকারিতা গুলি জানুন  

ভিটামিনে ভরপুর লটকনের এই স্বাস্থ্য উপকারিতা গুলি জানুন  

লটকন এক প্রকার টক মিষ্টি ফল। গাছটি দক্ষিণ এশিয়ায় বুনো গাছ হিসেবে জন্মালেও বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডে বাণিজ্যিক চাষ হয়। এই গাছের ফল টক স্বাদযুক্ত। আষাঢ় শ্রাবণ মাসে সময় এটি পরিপক্ক হয়। দিনে মাত্র ২/৩টি লটকন আপনার ভিটামিন সির  চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম। লটকন এমন সব উপাদান রয়েছে যা কোলন ক্যান্সারসহ নানান জটিল ও কঠিন অসুখ সেরে ওঠে। লটকনে কোনো ক্ষতিকর উপাদান নেই তাই ছোট বড় সবাই এই ফলটি খেতে পারেন। লটকন বৃক্ষ ৯-১২ মিটার লম্বা হয়, এর কান্ড বেটে এবং উপরাংশ ঝোপালো। ফলের রঙ হলুদ। ফলে ২-৫ টি বীজ হয়। ছায়াযুক্ত স্থানেই এটি ভাল জন্মায়। লটকনের স্বাস্থ্য উপকারিতাও খুব , সেগুলি জেনে নিন 

ভিটামিন সি এ ভরপুর লটকন খেলে রোগ-বালাই কমবে, তেমনি শরীরে নতুন রোগও বাসা বাঁধতে দেবে না। প্রতি ১০০ গ্রাম লটকনে রয়েছে ১.৪২ গ্রাম প্রোটিন ও ০.৪৫ গ্রাম ফ্যাট। যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখে। লটকনে রয়েছে পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ক্রোমিয়াম, ম্যাগনেসিয়ামসহ নানা খনিজ উপাদান। এইসব উপাদান শরীরকে সুস্থ রাখতে বেশ উপকারী।

লটকনে থাকা বিভিন্ন খনিজ উপাদান মানবদেহে কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় বলে নিশ্চিত করেছেন গবেষকরা। কাঁঠালের চেয়েও দ্বিগুণ ক্যালরি আছে লটকনে। যারা প্রচুর পরিশ্রমের কাজ করেন কিংবা দুর্বলতায় ভোগেন তারা নিয়মিত লটকন খেলে শরীরে শক্তি পাবেন। 


শারীরিক দূর্বলতা, বুক ধড়ফড় করা, হাত-পায়ে ব্যথা, ঠোঁট এবং পায়ের তালু ফাটা, ঠোঁট ও মুখের ঘা এবং বারবার গলা শুকিয়ে যাওয়ার সমস্যায় যারা ভুগছেন তাদের জন্য লটকন হতে পারে আদর্শ একটি পথ্য।গনোরিয়া রোগের প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে লটকনের বীজ। 

লটকন  গাছের ছাল ও পাতা খেলে চর্মরোগ দূর করে। লটকন  গাছের পাতা ও মূল খেলে পেটের পীড়া ও পুরান জ্বর নিরাময় হয়। এই ফলে থাকা ভিটামিন সি ত্বক, দাঁত ও হাড় সুস্থ রাখে।লটকনে রয়েছে অ্যামাইনো অ্যাসিড ও এনজাইম যা দেহ গঠন ও কোষকলার সুস্থতায় কাজে লাগে।