শীতকালে হাড় ক্ষয়ে যাওয়ার থেকে মুক্তির উপায় জানুন

শীতকালে হাড় ক্ষয়ে যাওয়ার থেকে মুক্তির উপায় জানুন

আজ বাংলা: শীতকাল এসে গিয়েছে। এই সময় বাহারি পোশাক, বেড়াতে যাওয়া, পিঠা উৎসব, অতিথি পাখি ইত্যাদি মিলিয়ে শীতকালটা আমাদের দেশে যেন উৎসবের ঋতু। তবে করোনাভাইরাস মহামারী সব উৎসবেই ভাটা ফেলবে।

তবে শুধু করোনাভাইরাসই নয়, বিভিন্ন রোগবালাইয়ের দিক থেকে শীতকাল সঙ্গে নিয়ে আসে নানান সমস্যা। প্রথমেই বলতে হয় মৌসুমি সর্দিজ্বর, যাতে কমবেশি সবাই আক্রান্ত হবেই। দীর্ঘমেয়াদি রোগ যেমন- হাঁপানি, বাত ইত্যাদিতে আক্রান্ত মানুষের কষ্ট বাড়ে এই শীতকালে। হাড়ের সমস্যায় ভোগা মানুষগুলো জন্য শীতকাল কষ্টের সময়ই বটে।

তাহলে এই সময় হারের সমস্যা দূর করতে কি কি করবেন জেনে নিন... 


শারীরিক পরিশ্রম বা শরীরচর্চা নিয়মিত চালিয়ে যেতে হবে। এতে রক্ত চলাচল অব্যাহত থাকবে এবং তা শরীর গরম রাখবে। হাড় ও পেশির সুস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী শরীরচর্চা, পাশাপাশি তা জোড়ের ‘স্টিফনেস’ বা আড়ষ্টভাব কমাতেও অনন্য।

এমন শরীরচর্চা বেছে নিতে হবে যা হাড় কিংবা জোড়ের ওপর চাপ ফেলে কম। ব্যথা কমানোর ক্ষেত্রে হালকা ‘স্ট্রেচিং’ বেশ উপকারী। ‘পশ্চার’ ঠিক করা এবং পেশি শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে ‘পিলাটিস’ কার্যকর। জোড়ের ওপর চাপ কমায় এমন ব্যায়ামের মধ্যে সাঁতার বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

খাদ্যাভ্যাসে বয়সের হিসেবে পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি থাকতে হবে। দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার, কাঠবাদাম, সয়া ইত্যাদি ক্যালসিয়ামের আদর্শ উৎস। দুগ্ধজাত খাবার ভিটামিন ডি’র অন্যতম উৎস। এছাড়াও ডিম, সিরিয়াল ইত্যাদিতেও ভিটামিন ডি পাওয়া যায়।

তাপ পেশি শিথিল করে। তাই হাড়ের জোড়ে কিংবা পেশিতে ব্যথা হলে গরম ভাপ দেওয়া যেতে পারে। একাধিক গরম কাপড় পরলেও কিছুটা একই ধরনের উপকার পাওয়া যায়। শরীর গরম থাকলে ব্যথা কম হবে।

রাতে পর্যাপ্ত এবং নির্ভেজাল ঘুম অত্যন্ত জরুরি।

এছাড়া পরিবেশ ঠাণ্ডা হলে মনে বিমর্ষভাব আসতে পারে। মন খারাপ থাকলে ব্যথার তীব্রতা বেশি মনে হতে পারে। তাই হাসি খুশি থাকাটাও জরুরি। 

যাদের বাতের সমস্যা আছে তাদের শীতের আগে থেকেই রোগ নিয়্ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে হবে। যে কোনো ব্যথা দুই সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

যারা দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত তাদের খেয়াল রাখতে হবে নতুন কোনো সমস্যা অনুভব করলে দ্রুত তা চিকিৎসককে জানানো।