জেনে নিন রসুন খাওয়ার উপকারিতা

জেনে নিন রসুন খাওয়ার উপকারিতা

আজবাংলা   রসুন খাওয়া খুবই উপকারী। অনেকে আবার মুখে দুর্গন্ধ হওয়ার কারনে খেতে চান না। তবে, ডাক্তারি শাস্ত্রে বলছে রান্নায় দেওয়ার পাশাপাশি কাঁচা ও খাওয়া দরকার মাঝে মধ্যে। তবে, দিনে ২ কোয়ার বেশি কাঁচা রসুন খাওয়া যাবে না।

রান্নায় রসুন ব্যবহার হলেও দিনে মাত্র ২ কোয়া রসুন garlic খাওয়া যায়। এর পাশাপাশি, রসুনে অ্যালার্জি কিংবা কোনো বিশেষ কারণে রসুন খাওয়া বন্ধ থাকলে তাদের রসুন না খাওয়াই ভালো।

তবে গবেষণায় দেখা গেছে, স্বাস্থ্য ভালো রাখতে রসুন খুবই উপকারী। তবে, অতিরিক্ত রসুন খেলে বমিভাবও হতে পারে। এবারে আসুন দেখা নেওয়া যাক, রসুন খেলে আমরা কি কি উপকার পাব।

১. হজমশক্তি  ও কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। ২. ঘুম না হওয়া, অনিদ্রা রোগ মুক্ত রাখে। ৩. চোখে ছানি পড়ার হাত থেকে আমাদের রক্ষা করে। ৪. গিঁট বাতের সমস্যা থেকে রক্ষা করে। ৫. মহিলাদের স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে যায়।

৬. দেহের বিভিন্ন অংশের পুঁজ এবং ব্যথাযুক্ত ফোঁড়ার যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে ভীষণ ভাবে কার্যকরী। ৭. যৌনমিলনের অসাবধানতা বশত রোগ অর্থাৎ ট্রিকোমোনিয়াসিসের হাত থেকে আমাদের কে রক্ষা করে। ৮. হৃদপিণ্ড কে সুস্থ থাকতে সাহায্য  করে। কোলেস্টেরল কমায় এবং এতে করে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকিও কমে যায়।

৯. ফ্লু ও শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। ১০.ব্রন সমস্যা থেকে দূরে রাখে। দাদ, খোস-পাঁচড়া ধরণের চর্মরোগের হাত থেকে রক্ষা করে এবং আঁচিলের সমস্যা সমাধান করে। ১১. যক্ষ্মা রোগের হাত থেকে রক্ষা করতে সক্ষম।

১২. উচ্চ রক্ত চাপের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। ১৩. দেহের অভ্যন্তরীণ ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া এবং কৃমি ধ্বংস করে। ১৪. দাঁতের ব্যথা সারাতে সাহায্য করে। ১৫. হাতে পায়ে জয়েন্টের ব্যথা দূর করে এবং বাতের ব্যথা সারায়।

১৬. রেক্টাল ক্যান্সারের হাত থেকে রক্ষা করে এবং দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ১৭. ক্ষুধামন্দা ভাব এবং পরিপাকতন্ত্রের নানা সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। ১৮. ইষ্ট ইনফেকশন দূর করে। ১৯. গলব্লাডার ও ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সক্ষম।

২০. চামড়ায় ফোসকা পড়ার যন্ত্রণা থেকে সহজেই মুক্তি দেয় এবং ত্বককে বুড়িয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে। ২১. প্রোস্টেট ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে। ২২.ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। ২৩.দীর্ঘমেয়াদী হুপিং কাশি ও ব্রঙ্কাইটিসের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখে। ২৪. অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান দেহের ভিতরে খারাপ ব্যাকটেরিয়া প্রবেশ, জন্ম এবং বংশবিস্তারে বাঁধা প্রদান করে।