আমলকি গুরুত্বপূর্ণ পাঁচটি গুনাগুন জেনে নিন -

আমলকি গুরুত্বপূর্ণ পাঁচটি গুনাগুন জেনে নিন -

আজ বাংলা: আমলকী মুখসুদ্ধি হিসেবে খুব ভালো কাজ করে, দেহের সবথেকে উপকারী ভেষজ গুলির মধ্যে এটি অন্যতম। তার সাথে সাথে এর অনেক প্রাকিতিক গুণ আছে। আপনি যদি আপনার ডেইলি রুটিনে এটিকে রাখেন তাহলে একসাথে অনেক গুলো সমস্যার হাত থেকে মুক্তি পাবেন। জুস বা অন্য কোনও ভাবে খাওয়ার থেকে আমলকি চিবিয়ে খাওয়াই ভাল।

এই শীতের সময়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায় আমলকি। তাই শীতের সময়ে যখন ফলন বেশি হচ্ছে, তখন গোটা ফল খাওয়ার সুযোগ নিতে হবে। প্রতি দিন সকালে খালি পেটে ১-২টি আমলকি খাওয়া যায়। এতে সব চেয়ে বেশি উপকার হয়। তবে দিনে দু'-একটির বেশি আমলকি খাওয়া ঠিক নয়।

কারণ এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন C থাকে। এর জেরে কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে।আমলকি টক হওয়ায়, অনেকেই এটি কাঁচা খেতে পারেন না। এই টকভাব কমাতে আমলকিকে ছোট ছোট করে কেটে নিয়ে একটু নুন, লঙ্কা মিশিয়ে খাওয়া যায়। অল্প নুন ও হলুদ দিয়ে আমলকী ফুটিয়ে নেওয়া যায়। এ ছাড়াও আমলকির চাটনি বানালেও মন্দ লাগবে না।

তবে কিছু ক্ষেত্রে ফলটিকে এড়িয়ে যাওয়া ভাল। যদি কোনও সার্জারি হয়ে থাকে বা কোনও ব্লাড থিনিংয়ের ওষুধ খান কেউ, তা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে আমলকি খাওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। অন্তঃসত্ত্বা বা যাঁরা বাচ্চাকে স্তন্যপান করাচ্ছেন, তাঁদেরও আমলকি এড়িয়ে যাওয়া ভাল।

১) চুলের ওষুধ হিসেবে কাজ করে এটি। চুলের গোড়ায় লাগালে চুল মজবুত হয়। আমলকি তেল চুলের জন্য খুব ভালো। চুল বৃদ্ধিতে সাহায্য করে এটি। খুশকি সমস্যার হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায়, এবং পাকা চুল কম করে।

২) আমলকির রস কোষ্ঠকাঠিন্য এবং পাইলস এর সমস্যার হাত থেকে মুক্তি দেয়। এবং কারুর যদি হজমের সমস্যা থাকে আমলকি সেটাও দূর করে। এক গ্লাস দুধ অথবা জলের সাথে আমলকি গুঁড়ো এবং চিনি মিশিয়ে খেলে এসিডিটির প্রবলেম কমে যায়।

৩) প্রতিদিন সকালবেলা ঘুম থেকে ওঠার পর আমলকির সাথে মধু মিশিয়ে খেলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ে এবং ত্বকের কালো ভাব কমে আসে।


 
৪) চোখের জন্য আমলকি খুবই উপকারী। দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। যাদের চোখে চোখ লাল হয়ে যায় এবং ইনফেকশন হওয়ার ভয় থাকে তারা নিঃসন্দেহে আমলকি খেতে পারেন। 

৫) এছাড়া আপনি আমলকি খেলে আপনার নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ থাকে তা কমে যায় এবং দাত শক্ত হয়। আমলকি খেলে মুখের রুচি ফিরে আসে।