দর্শন করে আসুন বঙ্গোপসাগরের উত্তাল জলতরঙ্গকে সাক্ষী রেখে তারাতারিনী মন্দির!

দর্শন করে আসুন বঙ্গোপসাগরের উত্তাল জলতরঙ্গকে সাক্ষী রেখে তারাতারিনী মন্দির!

আজ বাংলা : উড়িষ্যা তে অবস্থিত গোপালপুরের সমুদ্র সৈকত বঙ্গোপসাগরের উত্তাল তরঙ্গের একমাত্র সাক্ষী । বিস্তীর্ণ বালিয়াড়ি পেরোলেই পৌঁছে যাওয়া যায় বঙ্গোপসাগরের কোলে । সেই বালিয়াড়ির গায়ে ছায়া ফেলেছে সারি সারি ঝাউগাছ । স্বাধীনতার পূর্বে উড়িষ্যার এই সমুদ্র সৈকত ব্রিটিশদের অত্যন্ত পছন্দের একটি জায়গা ছিল ।সমুদ্র সৈকত থেকে কিছুটা দূরে একটি গঞ্জের মধ্যে প্রাচীন বেনুগোপাল স্বামী গোপাল কৃষ্ণ মন্দির অবস্থিত।  এবং আরেক প্রান্তে রয়েছে জেলেদের ছোট্ট গ্রাম।  সেখান থেকে কিছুটা এগোলেই পৌঁছে যাবেন ব্যাকওয়াটারের ধারে। সবুজ গাছের ছায়া সমুদ্রের জলে জলে পড়ে অদ্ভুত এক রঙের সৃষ্টি হচ্ছে।  এই সৈকতে নৌকা ভাড়া করে ভ্রমণ করতে পারেন । 

গোপালপুর এর একটি আকর্ষনীয় টুরিস্ট স্পট সমুদ্র সৈকতের ধারে লাইট হাউস । যেই লাইট হাউজ এর উপরে উঠলে আপনি দেখতে পাবেন সমগ্র গোপালপুর কে এবং উত্তাল বঙ্গোপসাগর জলতরঙ্গ । গাড়ি অথবা অটো নিয়ে গোপালপুরের পাশাপাশি সাইটসিন একদিনে খুব সহজেই করা হয়ে যাবে । পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছে যেমন গোপালপুর বন্দর , ধবলেশ্বর মন্দির , আর্য পল্লী  বীচ , কাজুবাদাম কারখানা ইত্যাদি । গোপালপুর থেকে ৬৭ কিলোমিটার দূরে রয়েছে বিখ্যাত তপ্তপানি উষ্ণপ্রস্রবণ আর ৪৫ কিলোমিটার দূরে রয়েছে তারাতারিনী জাগ্রত মন্দির। গোপালপুর সমুদ্র সৈকতে সূর্যোদয়ের দৃশ্য অপূর্ব । গোপালপুর সমুদ্র সৈকত দর্শনের সবথেকে ভাল সময় হচ্ছে নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি ।

কিভাবে যাবেন: হাওড়া থেকে দক্ষিণ ভারতে র যে কোন ট্রেনে চেপে এনামুল ব্রহ্মপুর স্টেশনে । ব্রহ্মপুর থেকে ১৭ কিলোমিটার দূরে রয়েছে গোপালপুর প্রাইভেট গাড়ি অটো এবং বাস পেয়ে যাবেন সেখানে যাওয়ার জন্য । হাওড়া থেকে ব্রহ্মপুর যেতে পারেন চেন্নাই মেল , অমরাবতী এক্সপ্রেস, যশবন্তপুর এক্সপ্রেস ইত্যাদি ট্রেনে। 

কোথায় থাকবেন :গোপালপুরের সমুদ্র সৈকতের তিমিরেই রয়েছে কয়েকটি প্রাইভেট হোটেল যেমন হোটেল কলিঙ্গ ,হোটেল সীপার্ল , গ্রীনপার্ক হোটেল মারমেড ইত্যাদি । এছাড়াও রয়েছে উড়িষ্যা পর্যটনের (OTDC) পান্থনিবাস।