তৃণমূল নেতার তোলাবাজির বিরুদ্ধে জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ স্থানীয় দের

তৃণমূল নেতার তোলাবাজির বিরুদ্ধে জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ স্থানীয় দের

তৃণমূল সভাপতির ভাই ও তার অনুগামীদের তোলাবাজি ও অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে পথে নামল স্থানীয় বাসিন্দা থেকে শ্রমিকরা। স্থানীয়দের অভিযোগ ভাতজাংলা গ্রাম পঞ্চায়েত সভাপতির ভাই দিলীপ ও সুবোধ এবং তার অনুগামীরা আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে প্রত্যহ দিন সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচার চালায়।বিগত দিনেও কয়েকজন লোকের উপর অমানুষিক অত্যাচার ও তোলাবাজির ঘটনা ঘটায় পঞ্চায়েত সভাপতির ভাই ও তার অনুগামীরা।

আজ সন্ধ্যার আগেই স্থানীয় কিছু ব্যক্তি এলাকায় তাস খেলছিল সেই সময়ে পঞ্চায়েত সভাপতি ভাই ও তার অনুগামীরা তোলাবাজির টাকা চাইলে দিতে অস্বীকার করাতেই তাদের উপর হামলা করে এবং আগ্নেয় অস্ত্র দিয়ে প্রাণে মারার হুমকি দেয়। এই ঘটনার পরেই আহত 2 জনকে তড়িঘড়ি চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়। এরপর এই এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়।

34 নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে দীর্ঘক্ষন বিক্ষোভ দেখায় স্থানীয় বাসিন্দা থেকে শ্রমিকরা। পরে মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাস এর গাড়ি ঘিরে গো ব্যাক স্লোগান তুলে বিক্ষোভ দেখায় তৃণমূলেরই একাংশ ও স্থানীয় গ্রামবাসীরা। দীর্ঘদিন ধরে দিলীপ এবং সুবোধের বিরুদ্ধে তোলাবাজির সহ এলাকায় সন্ত্রাসী কাজকর্মের অভিযোগ রয়েছে এলাকার মানুষের।

তাদের বিরুদ্ধে কিছু বললেই তারা মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাস এর অনুগামী বলে পরিচয় দেয়। যদিও এ বিষয়ে মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাস জানান যারা আন্দোলন করছিলেন তারা বিজেপি আশ্রিত।বিজেপির পায়ের নিচে মাটি নেই তাই তারা চক্রান্ত করেই এই রকম পথ অবরোধ করে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। এছাড়াও তিনি জানান 50 বছর রাজনীতি করছি এখনো পর্যন্ত কোনো মস্তানের আশ্রয় নিতে হয়নি দলে।

তবেএই ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে দিনের পর দিন তোলাবাজি করে চলেছে তৃণমূল সভাপতির ভাই ও তার অনুগামীরা। তাদের তোলাবাজির টাকা না দিলে মারধর ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এলাকাবাসীর দাবি অবিলম্বে দোষীদের গ্রেপ্তার করতে হবে এবং ভাতজাংলা পঞ্চায়েত এলাকায় সন্ত্রাস ও তোলাবাজি বন্ধ করতে হবে। গ্রেপ্তারের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরেই পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায় এলাকাবাসী।