দেশের ১৫০ জেলায় লকডাউন! যা সাফ জানাল স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক

দেশের ১৫০ জেলায়  লকডাউন! যা সাফ জানাল স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক

দেশে ফের মৃত্যুর কালো ছায়া। রোজই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা ভাইরাস (Coronavirus In India) সংক্রংমিতের সংখ্যা। তার সঙ্গে থামানোই যাচ্ছে না মৃত্যু মিছিল। আর এই পরিস্থিতির সঙ্গে লড়াই করতেই দেশের একাধিক জেলার মাথায় এখন লকডাউনের ভয়ঙ্কর অপশন ঘুরছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রক জানিয়েছে যদি অতি দ্রুত এই সব জেলাগুলিতে লকডাউন (Lockdown) না করা হয় তাহলে ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি আরও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে।

এই পরিস্থিতিতে মন্ত্রক এক প্রস্তাব পাঠিয়ে বলেছে যে ১৫০ টি জেলায় ১৫ শতাংশের বেশি পজিটিভ রেট রয়েছে সেখানে জরুরি সেবাকে শুধু বাদ দিয়ে লকডাউন লাগু করা হক। নতুবা স্বাস্থ্য পরিষেবায় প্রচণ্ড চাপ বৃদ্ধি পাবে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক মঙ্গলবার একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করেছে। সেখানে রাজ্য সরকাররা নিজেদের পরামর্শ দিয়েছে তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে কেন্দ্র সরকার। সেখানে এই প্রস্তাবকে সংশোধিত রূপ দেওয়া হবে। তবে মন্ত্রক মানছে যে এই মুহূর্তে কেস পজিটিভ ও আর কেসের সংখ্যা কমাতে নিয়ন্ত্রণ করাটা খুবই জরুরি।

সংক্রমণের চেন ভাঙার ক্ষেত্রে জোর দেওয়া হচ্ছে ইংরাজি দৈনিক টাইমস অফ ইন্ডিয়ার খবর অনুযায়ি এক সিনিয়র আধিকারিক বলেছেন, ' আমাদের বিশ্লেষণ থেকে পাওয়া খবর অনুযায়ি যেসব জেলায় ভীষণ বেশি পজিটিভ পাওয়া গেছে সেখানে কিছু সপ্তাহের জন্য শক্তভাবে লকডাউন প্রযোজ্য হবে। যাতে সংক্রমণের চেন ভাঙা যায়। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের আধিকারিকরা কিছু রাজ্যে করোনা ভাইরাস অতিমারির দ্বিতীয় ঢেউ রুখতে চিন্তান্বিত। এত তাড়াতাড়ি এত মানুষ পজিটিভ হয়ে যাচ্ছেন তা প্রচুর চিন্তার কারণ হয়ে যাচ্ছে। এর প্রভাব স্বাস্থ্য পরিষেবায় পড়ছে। কেন্দ্র আগেই রাজ্যগুলিকে অনাবশ্যক ক্ষেত্রগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করার পরামর্শ দিয়েছে।

সেখানে দেশে লাগাতার এক সপ্তাহ ধরে তিন লক্ষের অধিক মানুষ প্রতিদিন সংক্রমিত হচ্ছেন। ওয়ার্ল্ড মিটারের অনুযায়ি দেশে মঙ্গলবার ৩.৬২. ৯০২ টি মামলা এসেছে। মৃত্যু হয়েছে ৩.২৮৫ জনের। মার্চের পর হঠাত্‍ করেই অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা বেড়ে সোমবার তা হয়েছে ২৮.৮ লক্ষ। আটটি অধিক সংক্রমিত রাজ্য হল- মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশ, কর্ণাটক, কেরল, রাজস্থান, গুজরাত, ছত্তীশগড়, তামিলনাড়ু। এই রাজ্যগুলিতে দেশের মোট সংক্রমিতের সংখ্যা ৬৯ শতাংশ। প্রতিটি রাজ্যে ১ লক্ষের বেশি অ্যাক্টিভ কেস রয়েছে।