M অক্ষর দিয়ে শুরু নামের মানুষরা কেমন হয়

M  অক্ষর দিয়ে শুরু নামের মানুষরা কেমন হয়

কথায় আছে, নাম দিয়ে যায় চেনা। এটা কিন্তু খুব ভুল কথা নয়। আপনার নামের প্রথম অক্ষর বলে দেবে আপনি কী ধরনের মানুষ। প্রত্যেকের নামেরই একটা বিশেষত্ব আছে, যা থেকে সেই ব্যক্তির চরিত্র সম্পর্কে একটা ধারণা করা যায়। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, নামের প্রথম অক্ষর অনেক অর্থ বহন করে। নামের প্রথম অক্ষর দিয়ে সেই ব্যক্তি সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পারা যায়।

নামের প্রথম অক্ষর দিয়ে আপনি নিজের ভাগ্য যাচাই করতে পারেন। তাই নামের প্রথম অক্ষরের যথেষ্ট গুরুত্ব আছে। দেখে নিন আপনার নামের প্রথম অক্ষর আপনার সম্পর্কে কী বলছে। আপনার চেনা জানা অনেকের নামই হয়তো M দিয়ে শুরু হয়ে থাকতে পারে। ইংরাজি বর্ণমালার ১৩ তম এই বর্ণের গুরুত্ব অইপরিসীম।

যখনই তা কারোর নামের প্রথমে আদ্যাক্ষর হিসাবে বসে , তখনই এর মাহাত্ব সেই নামে প্রভাব ফেলে। নামের শুরুতে যদি M থাকে কারও, তাহলে জানবেন তাঁর উপর আপনি নির্ভর করে থাকতে পারবেন। সেই ব্যক্তি ভীষণভাবে বিশ্বাসী হন। M অক্ষরের সঙ্গে ৪ সংখ্যাটি সম্পর্কিত। তাই এঁরা ভীষণ দৃঢ়চেতা। কারণ ৪ সংখ্যারও এই বৈশিষ্ট বিদ্যমান। M= আপনার নামের বানানের প্রথম অক্ষর কি M? যদি হয়, তা হলে আপনি কিন্তু কাজ পাগল মানুষ। কাজ ছাড়া আপনি থাকতে পারেন না।

আপনার এনার্জি মারাত্মক। অদ্ভুত ব্যাপার, আর সকলের মতো আপনার খুব বেশি ঘুমের সে ভাবে দরকার নেই। প্রকৃতিগত ভাবে তবুও আপনার স্বাস্থ্য ভাল থাকবে। আপনি ঘরে থাকতে ভালবাসেন না। কিন্তু এর জন্য প্রয়োজন নিশ্চিত আর্থিক উৎস। সেই ব্যাপারে আপনি ব্যতিব্যস্ত থাকতে হয়। আপনার ক্রমাগত মুভমেন্টার জন্যে আপনার মধ্যে অধৈর্য বাতাবরণ সৃষ্টি করতে পারে যার দ্বারা অপরে যাতে অসুবিধার সম্মুখিন হতে না হয় সেটা আপনাকেই দেখতে হবে।

আত্মবিশ্বাসের দিক থেকে M আদ্যাক্ষরের নামের মানুষদের জুড়ি মেলা ভার। এঁরা মূলত কাজ নিয়ে থাকতে ভালোবাসেন। খুবই কাজের মানুষ। কোনও কাজ এঁদের কাঁধে দিয়ে আপনি নিশ্চিন্তে থাকতে পারবেন। তবে নিয়মানুবর্তিতার বিষয়ে এঁরা খুবই দুর্বল। কোনওভাবেই এঁরা নিয়ম মাফিক জীবনধারন করেন না। তবে সততা এঁদের মধ্যে প্রবল।

এঁরা নিজের কাজ, পরিবাবর বন্ধুদের প্রতি যথেষ্ট সৎ। তাই এঁদের ওপর সহজেই ভরসা করা যায়। নামের শুরু যদি M দিয়ে হয়ে থাকে, তাহলে বলা যায়, এঁরা নিজের কাজের বিষয়ে খুবই যত্নবান, ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেন। M -এদের বলে দিতে হয়না কোন কাজের পর কোন কাজ করতে হবে। এঁরা গুছিয়ে কাজ করে নেন।তবে সমস্ত বিষয় যুক্তি দিয়ে জানতে বুঝতে গিয়ে, এঁরা মাঝে মাঝেই ঝগড়া বা বিতর্কের মধ্যে পড়ে যান। সমস্ত বিষয়ে তর্কাতর্কি করা এঁদের স্বভাবজাত দিক। এঁদের ধৈর্য খুবই কম। তাই সহজেই এঁরা তর্ক করতে শুরু করে দেন। তাই বহু ক্ষেত্রে এই ধরনের মানুষরা অপ্রিয় ও অনভিপ্রেত হয়ে পড়েন।