দক্ষিণী স্টাইলে ঘরেই বানিয়ে ফেলুন প্রোটিন সমৃদ্ধ ধোসা

দক্ষিণী স্টাইলে ঘরেই বানিয়ে ফেলুন প্রোটিন সমৃদ্ধ ধোসা

আজবাংলা  দেশের যে প্রান্তেই বাস করুন না কেন, ধোসা পছন্দ করেন না এমন লোক খুবই কম আছে। আর এই পছন্দের কারণেই আজকাল মানুষ বাড়িতেই এটি সহজে বানিয়ে ফেলছেন ধোসা। তবে, সাধারণত চালের গুঁড়ো ও বিউলির ডাল দিয়েই তৈরি করা হয় ধোসা।

তবে এখানে আপনাদের জন্য দেওয়া হল এক অন্য ধরণের ধসের রেসিপি।  এক নয়, দু নয়, পাঁচ রকম ডাল দিয়ে তৈরি এই ধোসা যেমন সুস্বাদু, তেমনি প্রোটিনে ভরপুর। সাধারণত আপনারা যে ধোসা খান, এই ধোসা আপনাদের তার চেয়ে অনেক বেশি প্রোটিন দেবে।

বিউলির ডাল ছাড়াও, খোসা সমেত মগ ডাল, অড়হর ডাল, হলুদ মুগ ও ছোলার ডাল দিয়ে তৈরি করতে হবে এই হাই-প্রোটিন ধোসা। এই ধোসা তৈরির জন্য কোনও রকম ফার্মেন্টেশনের প্রয়োজন নেই। ডাল গুলি সারা রাত ভিজিয়ে রাখুন ও সকালে ভালো করে পিষে নিয়েই অতি সহজেই বানিয়ে ফেলুন গরম গরম ধোসা।

উপকরনঃ  (১০-১২ টি ধোসা বানানোর জন্য)


১. ১/৪ কাপ আরহার ডাল, ২. ১/৪ কাপ খোসা সহ মুগ ডাল (ভাঙা), ৩. ১/২ কাপ হলুদ মুগ ডাল (খোসা ছাড়া), ৪. ১/৪ ছোলার ডাল, ৫. ১/৪ বিউলির ডাল, ৬. আধা কাপ চাল, ৭. ১ চামচ জিরা, ৮. ৩ টি মোটা লাল লঙ্কা, ৯. নুন স্বাদানুসারে

প্রণালীঃ  ১ ধাপ: সমস্ত ডাল ও চাল, গোটা লাল লঙ্কা ও জিরে একই জলের মধ্যে ভিজিয়ে দিন। পাত্রটি ভালো করে ঢেকে সারা রাত ভিজতে দিন। ডাল, চাল ভালো করে ডুবে যাওয়ার পরে ফুলে উঠবে।  

২ ধাপ: এই জল দিয়েই সমস্ত উপাদান গুলি পরের দিন সকালে ভালো করে পিষে নিন। ডালের মধ্যে যেন কোনও গোটা ভাব না থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখবেন। আপনার প্রস্তুত ঘোলটা যেন খুব বেশি গাড় বা খুব বেশি পাতলা না হয়, সেদিকে ধ্যান রাখবেন।

৩ ধাপ: ঘোল প্রস্তুত হয়ে যাওয়ার পর, তাতে স্বাদানুসারে নুন দিন ও ভালো করে মিশিয়ে নিন।এবার, আপনি সাধারণত যেভাবে ধোসা তৈরি করেন, সেই ভাবেই তৈরি করে নিন।

৪ ধাপ: চট জলদি বানিয়ে ফেলুন কাগজের মতো পাতলা মুচমুচে পেপার ধোসা।সাম্বার ও নারকেলের চাটনি সহযোগে উপভোগ করুন সুস্বাদু ধোসার স্বাদ। এই হাই-প্রোটিন ধোসা দিয়েই শুরু হোক আপনার দিন।