পাঁচ বছরে দেড় কোটি ছেলেমেয়েকে চাকরি দেবর প্রতিশ্রুতি মমতার

পাঁচ বছরে দেড় কোটি ছেলেমেয়েকে চাকরি দেবর প্রতিশ্রুতি মমতার

হুগলির সাহাগঞ্জে রাজনৈতিক জনসভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দু'দিন আগেই সাহাগঞ্জের সভা থেকে তৃণমূলের বিরুদ্ধে একাধিক ইস্যুতে আক্রমণ শানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী।  বেশ কিছুদিন ধরেই সায়নী ঘোষ সোশ্যাল মিডিয়ার রীতিমতো আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন। গেরুয়া শিবিরের বিরুদ্ধে যেভাবে একের পর এক তির তিনি ছুঁড়ছিলেন তাতে তাঁর শাসক শিবিরে যোগ দেওয়াটা সময়ের অপেক্ষা ছিল বলেই মনে করছিল রাজনৈতিক মহল।

বুধবার হুগলির সভা থেকে সেই অপেক্ষার অবসান হল। সায়নীর মতো রাজ চক্রবর্তী এবং জুন মালিয়ার তৃণমূলে যোগ নিয়েও জল্পনা বেশ কিছুদিন ধরে জল্পনা ছিল। তাঁরাও এদিন ঘাসফুলের পতাকা হাতে তুলে নেন। তবে, এদিনের সভায় কাঞ্চন মল্লিক, সুদেষ্ণা রায়, অনন্যা চট্টোপাধ্যায়ের মতো বর্ষীয়ান অভিনেতাদের দলে টেনে রীতিমতো চমক দিয়েছে তৃণমূল।

মানালি দে'র মতো টেলিভিশনের জনপ্রিয় মুখকেও দলে টেনেছে শাসক শিবির।রাজ্যে অনেক শিল্প হচ্ছে। এখানেও (হুগলি) নতুন শিল্প হচ্ছে। যেখানে ৬০০ লোক কাজ পাবেন। ওঁরা আমাকে উদ্বোধন করতে বলেছিল কিন্তু আমার সময় হল না। আর এটা দলীয় অনুষ্ঠান সেখান থেকে উদ্বোধন করব না। এখানে হ্যান্ডলুম, প্লাস্টিক ক্লাস্টার হয়েছে।

বহু মানুষ কাজ করছে। সিঙ্গুরে অ্যাগ্রো শিল্প তৈরি হচ্ছে। সেখানে চাষও হচ্ছে। আবার শিল্প হলে কাজও পাবে। ডানকুনির টোল প্লাজার কাছে কারখানা আমি তৈরি করেছি। আগামী পাঁচ বছরে দেড় কোটি ছেলেমেয়েকে কাজ দেব আমরা। বাংলায় ৪০ শতাংশ দারিদ্র কমিয়েছি আমরা।   খেলা তো হবেই। আর একবার বাংলায় এই খেলায় তাঁদের হারিয়ে দিতে পারলে দেশ থেকে বিদায় নেবে বিজেপি।

ওরা একবার ক্ষমতায় এলে এলাকা দখল করবে, ছেলেমেয়েদের ভবিষ্যত্‍ দখল করবে। ওঁরা আমাকে ভয় পায়। তাই আমাকে ধমকানি দিচ্ছে। কিন্তু তাতে কোনও লাভ হবে না। আমরা আগামী দিনে দায়িত্ব নিয়েছি, প্রত্যেক বিধবাকে ৬০ বছর বয়সের পরে মাসে ১০০০ টাকা করে ভাতা দেব। আগামী দিনে আমাদের ৪৫ লক্ষ শ্রমিক, যাঁরা সামাজিক সুরক্ষার আওতায় আছেন, তাঁদেরও ১০০০ টাকা করে দেব।