কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী সহ ১৪ নেতাকে সমর্থন চেয়ে চিঠি মমতার

কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী  সহ ১৪ নেতাকে সমর্থন চেয়ে চিঠি মমতার

‌গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা এবং সংসদীয় যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো'‌তে আঘাত আনার অভিযোগ তুলে কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল সহ দেশের একাধিক '‌অ-বিজেপি'‌ দলের নেতাদের চিঠি লিখলেন সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী মমতা ব্যানার্জি। এনসিপি প্রধান শরদ পওয়ার, আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব, আম আদমি পার্টি (আপ)-র অরবিন্দ কেজরীবাল, বিজেডি-র নবীন পট্টনায়ক, ডিএমকে প্রধান এম কে স্ট্যালিন, শিবসেনার উদ্ধব ঠাকরের পাশাপাশি তাত্‍পর্যপূর্ণ ভাবে সেই তালিকায় রয়েছেন কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গাঁধীও।

চিঠিতে মমতা লিখেছেন, 'আমার দৃঢ় বিশ্বাস, গণতন্ত্র এবং সংবিধানের বিরুদ্ধে বিজেপি যে আঘাত হানছে, তার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ লড়াইয়ের সময় এসেছে'। দেশের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো অক্ষুন্ন রাখতে তিনি যে বিভিন্ন বিরোধী দলের নেতা-নেত্রীকে চিঠি লিখেছেন, বুধবার সে কথা এক লিখিত বিবৃতিতে জানিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী।  দিল্লি-সহ বিভিন্ন অ-বিজেপি শাসিত রাজ্যের উপর কেন্দ্রের অসাংবিধানিক আচরণের অভিযোগও এনেছেন মমতা।

বিরোধী নেতাদের উদ্দেশে লেখা চিঠিতে তাঁর বার্তা, 'এই পরিস্থিতিতে আমি সর্বান্তকরণে আপনাদের এবং অন্য সব সমমনোভাবাপন্ন দলগুলির সঙ্গে লড়তে প্রস্তুত'। তাঁর মতে, ঐক্যবদ্ধ লড়াইয়ের মাধ্যমেই দেশবাসীর সামনে একটি 'বিশ্বাসযোগ্য বিকল্প' (বিজেপি-র) তুলে ধরা সম্ভব। প্রসঙ্গত, শুরুর দিকে বাম-কংগ্রেসের সুংযুক্ত মোর্চায় যোগ দিয়ে বাংলার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ইউপিএ জোটের দুই শরিক এনসিপি এবং আরডেজি।

কিন্তু পরবর্তী কালে কংগ্রেসের এই দুই সহযোগী দল পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভোটে তৃণমূলকে সমর্থনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কংগ্রেসের সহযোগী শিবসেনাও। এনসিপি প্রধান পওয়ার পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের প্রচারে আসবেন বলেও তাঁর দলের তরফে ঘোষণা করা হয়েছে। সম্প্রতি কংগ্রেস সাংসদ প্রদীপ ভট্টাচার্য ইমেল করে পওয়ারকে অনুরোধ করেছিলেন, তৃণমূলের হয়ে এ রাজ্যে প্রচারে না আসতে।