বহু সমস্যার একযোগে সমাধান হয় মা তারার এই মন্ত্র পাঠ করলে

বহু সমস্যার একযোগে সমাধান হয়  মা তারার এই  মন্ত্র পাঠ করলে

আজবাংলা      ঈশ্বরের প্রার্থনা করার বা ডাকার কোনও বাঁধাধরা নিয়ম হয় না। ভক্তিই হল মূল মন্ত্র। তবে বৈদিক মতে পুজো-অর্চনার তো বিধিবদ্ধ নিয়ম আছেই। তা ছাড়া কালীপুজোর দিন পুজোর জন্য উপবাস থেকে জপতপ ইত্যাদির সুফল পাওয়া যায়। মা কালী সময়ের প্রতীক। অন্ধকার থেকে আলোয় ফেরার জন্য।

সকাল হোক বা সন্ধে যে কোনও সময়ে মায়ের আরাধানা করতে পারে সন্তান ৷ তবে বিশেষ তিথিতে পুজো করলে তার ফল সুদূর প্রসারী হতে পারে ৷মা তারা জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে এক সুন্দর পরিবেশের সৃষ্টি করেন ৷ তাঁর কৃপাতেই বহু সমস্যার সমাধান পলকেই হয়ে যায় ৷এখন দেখে নেওয়া যাক কী ভাবে মা কালীর প্রার্থনা করলে সুফল পাওয়া যাবে। এ ছাড়া গৃহে মা কালীর চিত্র বা মূর্তির সামনে বিভিন্ন পুজোর দ্রব্যাদি-সহ সহজ প্রার্থনার কিছু মন্ত্র-

*আসন শুদ্ধি :- আসনের সামনে ডান হাতের মধ্যমার সাহায্যে জল দিয়ে একটি ত্রিকোণ [ব] আঁকতে হয় . তার উপর একটি ফুলদিয়ে বলতে হয় " নমঃ আধারশক্তয়ে কমলাসনায় নমঃ "  
তারপর জোড়হাত করে এই মন্ত্রটি বলতে হয় - " নমঃ পৃথ্বি ত্বয়া ধৃতা লোকা দেবী ত্বং বিষ্ণুণা ধৃতা | ত্বঞ্চ ধালয় মাং নিত্যং পবিত্রং কুরু চাসনম্ || 
সম্মুখে পূজিতদেবতা শ্রী দুর্গায়ৈ নমঃ 
* নারায়ণাদির অর্চনা :- 
এতে গন্ধপুষ্পে নমঃ নারায়ণায় নমঃ , 
এতে গন্ধপুষ্পে নমঃ শ্রীগুরবে নমঃ  ,
এতে গন্ধপুষ্পে নমঃ গণেশায় নমঃ , 
এতে গন্ধপুষ্পে নমঃ দুর্গায়ৈ নমঃ ,
এতে গন্ধপুষ্পে নমঃ শিবায় নমঃ ,
এতে গন্ধপুষ্পে নমঃ লক্ষ্মীদেবৈ নমঃ ,
এতে গন্ধপুষ্পে নমঃ সরস্বতৈ নমঃ ,
এতে গন্ধপুষ্পে নমঃ কার্ত্তিকায় নমঃ ,
এতে গন্ধপুষ্পে নমঃসর্বদেবদবীভ্যোনম
এতে গন্ধপুষ্পে নমঃ ওঁ ক্রীং কাল্ল্যৈ নমঃ

প্রদীপ বা মোমবাতি প্রদানের মন্ত্র-

‘এষ দীপ ওম ক্রীং কাল্ল্যৈ নমঃ।’

ধূপকাঠি প্রদানের মন্ত্র-

‘এষ ধুপঃ ওঁ ক্রীং কাল্ল্যৈ নমঃ।’

কর্পূর প্রদানের মন্ত্র-

‘ওঁ ক্রীং কাল্ল্যৈ নমঃ আরাত্রিকম্ সমর্পয়ামি।’

দুধ-স্নানাদি প্রদানের মন্ত্র-

‘ওঁ ক্রীং কাল্ল্যৈ নমঃ পয়স্নানাম্ সমর্পয়ামি।’

দই-স্নানাদি প্রদানের মন্ত্র-

‘ওঁ ক্রীং কাল্ল্যৈ নমঃদধিস্নানাম্ সমর্পয়ামি।’

পঞ্চামৃত-সহ স্নানের দ্রব্যাদি প্রদানের মন্ত্র-

‘ওঁ ক্রীং কাল্ল্যৈ নমঃ পঞ্চামমৃত স্নানম্ সমর্পয়ামি।’

গঙ্গাজল স্নানের প্রদানের মন্ত্র-

‘ওঁ ক্রীং কাল্ল্যৈ নমঃ গঙ্গাস্নানম্ সমর্পয়ামি।’

পঞ্চফল প্রদানের মন্ত্র-

‘ওঁ ক্রীং কাল্ল্যৈ নমঃ পঞ্চফলম্ সমর্পয়ামি।’

পুষ্প প্রদানের মন্ত্র-

‘এষ গন্ধপুস্পে ওঁ ক্রীং কাল্ল্যৈ নমঃ।’

প্রণাম মন্ত্র-

‘ওঁ ক্রীং ক্রীং হৃং হৃং হিং হিং দক্ষিণে কালীকে ক্রীং ক্রীং ক্রীং হৃং হৃং হ্রীং হ্রীং হ্রীং স্বহা।

ওঁ কালী কালী মহাকালী কালীকে পাপহারিণী

ধর্মার্থমোক্ষদে দেবী নারায়ণী নমোস্তুতে।’

এরপর জপ একশো আটবার করা যায় এই মন্ত্রে-

‘ওঁ ক্রীং কাল্ল্যৈ নমঃ।’