সবুজ-মেরুন সমর্থকদের হৃদয়ে সেই কৃষ্ণ বাজালেন মোহনবাঁশি

সবুজ-মেরুন সমর্থকদের হৃদয়ে সেই কৃষ্ণ বাজালেন মোহনবাঁশি

শতবর্ষের ডার্বিতে ছিন্নভিন্ন এসসি ইস্টবেঙ্গল। অ্যান্তনিয় লোপেজ হাবাসের আগ্রাসী এটিকে মোহনবাগানের সামনে কার্যত বিধ্বস্ত হয়ে গেল লাল-হলুদ শিবির। ঐতিহাসিক ডার্বিতে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে ৩-০ গোলে হারিয়ে ইতিহাসের খাতায় নাম লিখিয়ে ফেললেন সবুজ-মেরুন ফুটবলাররা। এই বিরাট জয়ের ফলে ফের লিগ টেবিলের শীর্ষস্থানে উঠে এল সবুজ-মেরুন শিবির।আইএসএল-এ কলকাতা ডার্বির স্কোর বোর্ডে একটি নাম ধারাবাহিক।

রয় কৃষ্ণ। পর পর তিনটি ডার্বিতে গোল করলেন তিনি। সবুজ-মেরুন সমর্থকদের হৃদয়ে সেই কৃষ্ণ বাজালেন মোহনবাঁশি। শনিবার এসসি ইস্টবেঙ্গলকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিল এটিকে মোহনবাগান। খেলার শুরু থেকেই দাপট ছিল মোহনবাগানের। ১২ মিনিটের মাথায় গোল করে দলকে এগিয়ে দিয়েছিলেন রয় কৃষ্ণ। সেই গোলের রেশ কাটতে না কাটতেই ফের গোল।

এ বার মনবীর সিংহ। যিনি গোল করলে এটিকে মোহনবাগান হারে না। হারেওনি। মুহুর্মুহু আক্রমণে তখন দিশেহারা লাল-হলুদ রক্ষণ। গত মরসুমে মোহনবাগানে খেলা অরিন্দম ভট্টাচার্য কী করবেন বুঝেই উঠতে পারছেন না। মনবীরের গোলের সময় যে পোস্ট গার্ড নিয়েছিলেন, সেখান থেকেই গোল খেলেন তিনি। ২২ মিনিটে ব্যবধান আরও বাড়িয়ে দেন লিস্টন কোলাসো।

হুগো বুমোসের বাড়িয়ে দেওয়া লম্বা থ্রু ধরে নেন লিস্টন। তাঁকে আটকাতে গোল ছেড়ে এগিয়ে আসেন অরিন্দম। লাল-হলুদ অধিনায়ককে ধরাশায়ী করে ফাঁকা গোল খুঁজে নিলেন লিস্টোন। ৩-০ গোলে এগিয়ে যায় মোহনবাগান।  চোটের জন্য মাঠ ছাড়তে হল তাঁকে। কোচ ম্যানুয়েল দিয়াজ নামিয়ে দিলেন তরুণ শুভম সেনকে। প্রথমার্ধে ৩-০ গোলে এগিয়ে থেকেই শেষ করে মোহনবাগান। দ্বিতীয়ার্ধেও লাল-হলুদকে চাপে রেখেছিল মোহনবাগান। গোলমুখী শটই নিতে পারেনি ইস্টবেঙ্গল। বার বার আক্রমণে উঠে আসছিলেন রয় কৃষ্ণরা।