লকডাউনের জেরে বহু মানুষের সংসার চলছে শুক্রাণু বিক্রি করে

লকডাউনের জেরে বহু মানুষের সংসার চলছে শুক্রাণু বিক্রি করে

আজবাংলা    করোনার আবহের জন্য, দৈনন্দিন জীবনে সাধারন মানুষের জীবনযাত্রার ছন্দের ব্যাঘাত ঘটেছে। এরইমাঝে, তীরের ফলার মতন বিঁধেছে ঘন ঘন লকডাউন। বিশ্বের অর্থনীতিতে ব্যাপক হারে মন্দা। এই ভয়াবহ সময়ে মানুষের হাতে নেই কাজ, পেতে নেই খাবার। আশাবাদী এই মানবসমাজ কোনক্রমে দিনের পর দিন কাটিয়ে সুদিনের অপেক্ষাই রত। সারা বিশ্বের বহু বহু মানুষ আজ বেকার। কিভাবে প্রিয়জনেদের মুখে অন্ন তুলে দেবে জানা নেই। বহু মানুষ আয়ের উৎস খুঁজে চলেছেন নানান বিকল্প পথে।

কথাতেই আছে, পেটের দায়ে মানুষ কিনা করে। তাই এরইমাঝে বেশকিছু মানুষ বেছে নিয়েছে এক অভিনব আয়ের উৎস। মনে আছে সেই দিল্লির পাঞ্জাবি ভিকি আরোরা কে? মনে করতে পারছেন না?? সেই যে ২০১২ সালে বলিউডে মুক্তি পেল ভিকি ডোনার। এইবার চিনতে পারছেন নিশ্চয়। সেই সিনেমার ভিকি যেমন নিজের শুক্রানু বিক্রি করত, ঠিক তেমনই কিছু সাধারন মানুষ সেই রোজগারের পথ কে অনুসরন করল। বিশ্বাস না হলেও ঘটনাটি কিনতু একেবারে সত্যি। 

এক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, যে বা যারা শুক্রাণু বিক্রি করছেন তাদের মধ্যে অধিকাংশই শিক্ষিত যুবক। লকডাউনে কাজ চলে যাওয়ার জন্য তারা বাধ্য হয়ে এই বিকল্প পথে আয় নেমেছে। ইজরায়েলের স্পার্ম ডোনেশন কেন্দ্রের সমীক্ষায় বলা হয়েছে, সে দেশের যুব সম্প্রদায় পেটের টানে বাধ্য হয়েই শুক্রাণু বিক্রির পথ বেছে নিচ্ছেন। দেখা যাচ্ছে, কাজ চলে যাওয়ার পরেই এ কাজে নেমেছেন তারা। ইজরায়েলের শুক্রাণু বিক্রি করলে দেড় হাজার ইজরায়েলি মুদ্রা পর্যন্ত আয় করা যায়। এই মহা মূল্যবান সুযোগটা কেই কাজে লাগাতে চায় অসহায় মানুসগুলো। সমীক্ষার অনুযায়ী, ইজরায়েলে বেকারত্বের হার ক্রমেই বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১.১ শতাংশ। এমন অবস্থায় শুক্রাণু বিক্রির পথকেই বেছে নিচ্ছেন অনেকে। সমীক্ষায় দেখা গেছে, এই চলতি কয়েক সপ্তাহে শুক্রাণু বিক্রির হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০০ শতাংশ।