দুই পরিবারের ১০ জনের রহস্যময় মৃত্যু!

দুই পরিবারের ১০ জনের রহস্যময় মৃত্যু!

এক পরিবারের ৬ জন এবং আরেকটি পরিবারের চারজনের রহস্যময় মৃত্যুর ঘটনায় অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনমে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। বৃহস্পতিবার এই দুই পরিবারের মোট দশজনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। ভাইজ্যাগের মিথিলাপুরী কলোনিতে ৫১ বছরের সুনকারি বাঙ্গারু নাইডু ও তাঁর স্ত্রী সুনকারি নির্মলার মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। নির্মলা নিজে একজন হোমিওপ্যাথি চিকিত্‍সক ছিলেন।

এরই সঙ্গে তাঁদের দুই ছেলে ১৯ বছরের দীপক ও ২৯ বছরের কাশ্যপের দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিজেদের বাড়ি থেকেই এই চারজনের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবারের কর্তা বাঙ্গারু নাইডু প্রায় ১০ বছর বাহরিনে কর্মরত ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। তার পর তিনি দেশে ফিরে এসেছিলেন। বাথরুমে স্যুট-টাই পরে থাকা অবস্থায় দুই ছেলের দেহ উদ্ধার হয়েছে। প্রত্যেকের শরীরেই ধারালো অস্ত্রের কোপ এবং গভীর ক্ষত পাওয়া গিয়েছে।

গোটা ঘরেই আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, বড় ছেলের সঙ্গে বাড়ির অন্যদের কিছু নিয়ে কথা কাটাকাটি শুরু হয়েছিল, এবং সেই প্রত্যেককে খুন করে ঘরে আগুন লাগিয়ে দেয়। কিন্তু আগুন থেকে নিজে বেরিয়ে আসতে পারেনি সে। সেখানেই দমবন্ধ হয়ে মৃত্যু হয় তার। পেন্ডুরথিতে আরেকটি ঘটনায় ৪৯ বছরের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। প্রতিবেশীরা তার সারা শরীরে রক্ত দেখতে পেয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন।

এবং তার পরেই পুলিশকে খবর দিলে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ওই ব্যক্তির বাড়ি থেকে ৬ জনের দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রত্যেকেই রক্তে ভেসে যাচ্ছিল। এদের মধ্যে ২ বছরের এক শিশু এবং এক সদ্যোজাতেরও দেহ পাওয়া গিয়েছে। পুলিশ প্রাথমিক ভাবে জানতে পেরেছে, ৩৩ বছরের তার এক প্রতিবেশী বিবাহিত এবং তার ৩ সন্তান রয়েছে। অভিযোগ, তিনি অভিযুক্তের মেয়েকে ধর্ষণ করেছিলেন। জামিনে মুক্তি পেয়েছিলেন ধর্ষণে অভিযুক্ত। বৃহস্পতিবার সেই রাগে তাকে, তার স্ত্রী, দুই সন্তান, বাবা ও শাশুড়িকে কুপিয়ে খুন করা হয়।