নদীয়াঃ পশ্চিমবঙ্গের এক বিশিষ্ট জেলা নদীয়া

নদীয়াঃ পশ্চিমবঙ্গের এক বিশিষ্ট জেলা নদীয়া

 প্রাচীন সংস্কৃত-প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নদীয়া, রাজ্যের ধর্মীয় এবং সাংস্কৃতিক ইতিহাসের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলা ঐতিহ্যবাহী শহর কৃষ্ণ নগর। পর্যটন ছাড়াও জেলার আয়ের প্রধান উৎস হল কৃষি। পশ্চিমবঙ্গ মূলত ২৩টি জেলাতে বিভক্ত। বেশীরভাগ জেলাই স্বাধীনতার আগে থেকে ছিল, কিছু জেলা স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে গঠিত, আবার কিছু জেলা একটি মূল জেলাকে দুভাগে ভাগ করে তৈরি হয়েছে মূলত প্রশাসনিক সুবিধের কারণে। প্রতিটি জেলাই একে অন্যের থেকে যেমন ভূমিরূপে আলাদা, তেমনি ঐতিহাসিক এবং সাংস্কৃতিক দিক থেকেও স্বতন্ত্র। প্রতিটি জেলার এই নিজস্বতাই আজ আমাদের বাংলাকে সমৃদ্ধ করেছে।সেরকমই একটি জেলা হল নদীয়া(Nadia)। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের একটি জেলা হল নদীয়া ৷

প্রাচীন নদীয়া বাংলার শিক্ষা সংস্কৃতির পীঠস্থান ছিল বলে এই জেলাকে ‘বাংলার অক্সফোর্ড’ নামেও ডাকা হয়ে থাকে। নদীয়া জেলা শ্রীচৈতন্যের পূণ্যভূমি হিসেবে ইতিহাসে প্রসিদ্ধ। এই জেলার মৃৎ শিল্প এবং সরভাজা জগদ্বিখ্যাত। নদীয়ার প্রাচীন নাম ছিল নবদ্বীপ। তবে এই নামটি নিয়ে নানা মতান্তর আছে৷ কেউ বলেন নতুন দ্বীপ থেকে নবদ্বীপ বা নয়টি দ্বীপ থেকে নবদ্বীপ নামটি এসেছে৷

নামকরন সম্পর্কে আরও তথ্য জানতে পড়ুন এখানে। গঙ্গা-ভাগীরথী এবং এদের উপনদী দ্বারা গঠিত এই জেলা মূলত গাঙ্গেয় সমভূমির একটি অংশ বিশেষ এবং এই গাঙ্গেয় বদ্বীপের অন্তর্গত। ভৌগলিক দিক থেকে দেখলে নদীয়ার উত্তরে মুর্শিদাবাদ জেলা , দক্ষিণে অবস্থান করছে উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলা , পূর্ব দিকে বাংলাদেশের খুলনা বিভাগ এবং  পশ্চিমে হুগলি ও পূর্ব বর্ধমান জেলা অবস্থিত। ৩৯২৭ বর্গ কিমি স্থান জুড়ে অবস্থিত নদীয়া আয়তনের দিক থেকে নদীয়া পশ্চিমবঙ্গে দশম স্থান অধিকার করে। ২০১১ সালের জনগননা অনুসারে এই জেলার জনসংখ্যা প্রায় ৫১৬৮৪৮৮ জন।

জনসংখ্যার বিচারে নদীয়া জেলা পশ্চিমবঙ্গে ষষ্ঠ স্থান অধিকার করে। নদীয়ার ইতিহাস অত্যন্ত সমৃদ্ধ। নদীয়া প্রধানত হিন্দুদের তীর্থস্থান হিসেবেই খ্যাত। কথিত আছে রাজা বল্লাল সেন এই জেলা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। নদীয়ার ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায় প্রাচীন বাংলার হিন্দু রাজারা গৌড় ছাড়া নদীয়াতেও অবস্থান করতেন। বখতিয়ার খলজী নদীয়ার দখল নেওয়ার আগে অবধি নদীয়া বাংলার রাজধানী ছিল।   ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি নদীয়া জেলা আজকের রূপটি লাভ করে। দেশ ভাগের পর এই জেলাতেই শরণার্থীদের আগমন সর্বাধিক ছিল।

এই জেলা মূলত একটি কৃষিপ্রধান জেলা, স্বাধীনতার পর বিধানচন্দ্র রায়ের উদ্যোগে কল্যাণী নগরীকে কেন্দ্র করে একটি শিল্পাঞ্চল গড়ে উঠেছে এই জেলায়। এছাড়া ক্ষুদ্র, মাঝারি ও কুটির শিল্পেও এই জেলার বিশেষ খ্যাতি রয়েছে। নদীয়া জেলা শ্রীচৈতন্যের পূণ্যভূমি, এখানে হিন্দু ধর্মের মানুষের বসবাস বেশী। এখানে তাঁত ও মৃৎশিল্প খ্যাতি লাভ করেছে৷ আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে নদীয়ার কৃষ্ণনগরের ঘূর্ণীর মৃৎ শিল্পের যথেষ্ট  রয়েছে।

এই জেলায় বেশ কিছু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব জন্মগ্রহণ করেন যাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য- রামায়নের প্রাচীন অনুবাদক ও কবি কৃত্তিবাস ওঝা৷, বৈষ্ণব ধর্মের প্রবর্তক শ্রীচৈতন্য, মদনমোহন তর্কালঙ্কার, নাট্যকার দীনবন্ধু মিত্র, কবি ও নাট্যকার দ্বিজেন্দ্রলাল রায় প্রমুখ ৷ ভাগীরথীর পূর্বদিকে অবস্থিত এখানকার মায়াপুর পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম পর্যটনকেন্দ্র। এখানে অবস্থিত ইসকন  প্রতিষ্ঠিত চন্দ্রোদয় মন্দির এই জেলার মূল আকর্ষন। মায়াপুরের প্রধান উৎসবগুলি হল চন্দনযাত্রা, স্নানযাত্রা,রথযাত্রা , ঝুলনযাত্রা ,জন্মাষ্টমী , রাধাষ্টমী, রাসযাত্রা, দোলযাত্রা প্রভৃতি। এছাড়াও এই জেলার শান্তিপুরের তাঁতশিল্প ভারত বিখ্যাত।  

কলকাতা থেকে ১২৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত, শিয়ালদহ থেকে কৃষ্ণনগর লোকালে উঠে কৃষ্ণনগর স্টেশন।

নবদ্বীপ – সনাতন (বৈষ্ণব) ধর্মের মহাপ্রভু শ্রী চৈতন্য দেবের লীলা প্রকাশের স্থান। এই শহর ভক্ত ও পর্যটকদের জন্য একটি প্রধান আকর্ষণ।

শান্তিপুর – একসময় সংস্কৃত শিক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ছিল। এই শহর তার সুন্দর শাড়ির জন্য বিখ্যাত।

বল্লাল ঢিপী – একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান।

পলাশী – এক ঐতিহাসিক যুদ্ধ স্থল যেখানে সিরাজ-উদ-দৌলা ব্রিটিশদের সাথে যুদ্ধে পরাজিত হয়েছিলেন।

শিবনিবাস – অন্য আরেকটি প্রাচীন মন্দিরের স্থান।

কৃষ্ণ নগর – পর্যটক আকর্ষণপূর্ণ এক ঐতিহাসিক শহর এবং বিস্ময়কর মৃন্ময় শিল্পকার্য দ্বারা সমৃদ্ধ। এটি জেলার সদর দপ্তর। আরও রয়েছে বাহাদুরপুর ফরেস্ট, বেথুয়াডহরি, মঙ্গলদ্বীপ চর,হাসানডাঙ্গা বিল।

নদিয়া :

প্রতিষ্ঠা হয়েছিল ১৯৪৭ সালে। জেলা সদর – কৃষ্ণনগর। মহকুমা – ★কৃষ্ণনগর, ★কল্যাণী, ★রানাঘাট, ★তেহট্ৰ। আয়তন – ৩,৯২৭ বর্গ কিলোমিটার। জনসংখ্যা – ৫,১৬৮,৪৮৮।

নদীয়া  লোকসভা

 কৃষ্ণনগর, রাণাঘাট (এস.সি), বনগাঁ (এস.সি), মুর্শিদাবাদ 

নদীয়া  বিধানসভা

   করিমপুর,   তেহট্ট,    পলাশিপাড়া, কালীগঞ্জ, নাকাশিপাড়া, চাপড়া,    কৃষ্ণনগর উত্তর, নবদ্বীপ, কৃষ্ণনগর দক্ষিণ ,শান্তিপুর, রানাঘাট উত্তর-পশ্চিম, কৃষ্ণগঞ্জ, রানাঘাট উত্তর-পূর্ব, রানাঘাট দক্ষিণ, চাকদহ, কল্যাণী, হরিণঘাটা  

নদীয়া  পুরসভা

কৃষ্ণনগর, নবদ্বীপ, রাণাঘাট, শান্তিপুর, চাকদহ, 

নদীয়া  ব্লক    

চাকদা, চাপড়া, হাঁসখালি, হরিণঘাটা, কালিগঞ্জ, করিমপুর-৷, করিমপুর-II, কৃষ্ণগঞ্জ, কৃষ্ণনগর-৷, কৃষ্ণনগর-II, নবদ্বীপ, নাকাশিপাড়া, রানাঘাট-I, রানাঘাট-II, শান্তিপুর, তেহট্ট-৷, তেহট্ট-II

তেহট্ট মহকুমা

  করিমপুর-১ ব্লক 

করিমপুর-১ ব্লকের গ্রামীণ এলাকা আটটি গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়ে গঠিত। এগুলি হল

হরেকৃষ্ণপুর, জামশেরপুর, করিমপুর-২, পিপুলবেড়িয়া, হোগলবেড়িয়া, করিপুর-১, মধুগড়ি ও শিকারপুর। ব্লকের একমাত্র নগরাঞ্চলটি হল করিমপুর সেন্সাস টাউন। ব্লকটি হোগলবেড়িয়া, করিমপুর ও মুরুটিয়া থানার অধীনস্থ। ব্লকের সদর শিকারপুর।

করিমপুর-২ ব্লক

করিমপুর-২ ব্লকের গ্রামীণ এলাকা দশটি গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়ে গঠিত। এগুলি হল ঢোরাদহ-১, মারুতিয়া, নারায়ণপুর-২, রহমতপুর, ঢোরাদহ-২, নন্দনপুর, নটিডাঙা-১, দিঘল কান্দি, নারায়ণপুর-১ ও নটিডাঙা-২। এই ব্লকে কোনো নগরাঞ্চল নেই। ব্লকটি থানারপাড়া, করিমপুর ও মুরুতিয়া থানার অধীনস্থ। ব্লকের সদর রহমতপুর।

তেহট্ট-১ ব্লক

তেহট্ট-১ ব্লকের গ্রামীণ এলাকা ১১টি গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়ে গঠিত। এগুলি হল বেতাই-১, ছিটকা, পাথরঘাটা-১, শ্যামনগর, বেতাই-২, কানাইনগর, পাথরঘাটা-২, তেহট্ট, চাঁদেরঘাট, নাতনা, রঘুনাথপুর। এই ব্লকে কোনো নগরাঞ্চল নেই। ব্লকটি তেহট্ট থানার অধীনস্থ। ব্লকের সদর তেহট্ট।

তেহট্ট-২ ব্লক

তেহট্ট-২ ব্লকের গ্রামীণ এলাকা সাতটি গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়ে গঠিত। এগুলি হল বার্নিয়া(নতুন বার্নিয়া), হাঁসপুকুরিয়া, পলসুন্ডা-১, সাহেবনগর-২, গোপীনাথপুর, পলাশীপাড়া ও পলসুন্ডা-২।এই ব্লকে কোনো নগরাঞ্চল নেই। ব্লকটি তেহট্ট ও পলাশীপাড়া থানার অধীনস্থ। ব্লকের সদর পলাশীপাড়া।

কৃষ্ণনগর মহকুমা

কৃষ্ণনগর সদর মহকুমা পশ্চিমবঙ্গের নদিয়া জেলার একটি মহকুমা। এই মহকুমা কৃষ্ণনগর ও নবদ্বীপ পুরসভা এবং সাতটি সমষ্টি উন্নয়ন ব্লক (কালীগঞ্জ, নাকাশিপাড়া, চাপড়া, কৃষ্ণনগর-১, কৃষ্ণনগর-২, নবদ্বীপ ও কৃষ্ণগঞ্জ) নিয়ে গঠিত। এই সাতটি ব্লকে ৭৭টি গ্রাম পঞ্চায়েত ও ছয়টি সেন্সাস টাউন বর্তমান। মহকুমার সদর কৃষ্ণনগর।

   

কালীগঞ্জ ব্লক

কালীগঞ্জ ব্লকের গ্রামীণ এলাকা ১৫টি গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়ে গঠিত। এগুলি হল: বড়চাঁদঘর, হাটগাছা, মীরা-১, পালিতবাগিয়া, দেবগ্রাম, জুরানপুর, মীরা-২, পানিঘাটা, ফরিদপুর, কালীগঞ্জ, পলাশী-১, রাজারামপুর ঘোড়াইক্ষেত্র, গোবরা, মাটিয়ারি ও পলাশী-২। এই ব্লকে কোনো শহরাঞ্চল নেই। ব্লকটি কালীগঞ্জ থানার অধীনস্থ। ব্লকের সদর দেবগ্রাম।

নাকাশিপাড়া ব্লক

নাকাশিপাড়া ব্লকের গ্রামীণ এলাকা ১৫টি গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়ে গঠিত। এগুলি হল: বেথুয়াডহরি, দহরি-১, বিল্বগ্রাম, ধর্মদা, মুড়াগাছা, বেথুয়াডহরি-২, বীরপুর-১, দোগাছিয়া, নাকাশিপাড়া, বিক্রমপুর, বীরপুর-২, হরনগর, পাতিকাবাড়ি, বিলকুমারী, ধনঞ্জয়পুর ও মাঝেরগ্রাম। এই ব্লকের শহরাঞ্চল জগদানন্দপুর ও ক্ষিদিরপুর সেন্সাস টাউন দুটি নিয়ে গঠিত। ব্লকটি নাকাশিপাড়া থানার অধীনস্থ। ব্লকের সদর বেথুয়াডহরী। 

চাপড়া ব্লক

চাপড়া ব্লকের গ্রামীণ এলাকা ১৩টি গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়ে গঠিত। এর প্রধান কেন্দ্র চাপড়া। এগুলি হল: আলফা, চাপড়া-২, হৃদয়পুর, পিপড়াগাছি, বাগবেড়িয়া, হাতিশালা-১, কলিঙ্গ, বৃত্তিহুদা, হাতিশালা-২, মহতপুর, চাপড়া-১, হাটখোলা ও মহেশপুর। এই ব্লকে কোনো শহরাঞ্চল নেই। ব্লকটি চাপড়া থানার অধীনস্থ। ব্লকের সদর বাঙালঝি।

কৃষ্ণনগর-১ ব্লক

কৃষ্ণনগর-১ ব্লকের গ্রামীণ এলাকা ১২টি গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়ে গঠিত। এগুলি হল: আসাননগর, ভাতজঙলা, দিগনগর, জোয়ানিয়া, ভালুকা, ভীমপুর, দোগাছি, পোড়াগাছা, ভাণ্ডারখোলা, চকদিলনগর, দায়পাড়া ও রুইপুকুর। এই ব্লকের শহরাঞ্চল বারুইহুদা সেন্সাস টাউনটি নিয়ে গঠিত। ব্লকটি কৃষ্ণনগর থানার অধীনস্থ। ব্লকের সদর কৃষ্ণনগর রোড।

কৃষ্ণনগর-২ ব্লক

কৃষ্ণনগর-২ ব্লকের গ্রামীণ এলাকা সাতটি গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়ে গঠিত। এগুলি হল: বেলপুকুর, ধুবুলিয়া-২, নোয়াপাড়া-২, সাধনপাড়া-২, ধুবুলিয়া-১, নোয়াপাড়া-১ ও সাধনপাড়া-১। এই ব্লকে কোনো শহরাঞ্চল নেই। ব্লকটি ধুবুলিয়া তদন্ত কেন্দ্র থানার অধীনস্থ। ব্লকের সদর ধুবুলিয়া।

নবদ্বীপ ব্লক

নবদ্বীপ ব্লকের গ্রামীণ এলাকা আটটি গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়ে গঠিত। এগুলি হল: বাবলারি, মহীশূরা, মায়াপুর বামনপুকুর-২, চারমাজদিয়া, চারব্রহ্মানগর, মাজদিয়া পানশিলা, মায়াপুর বামনপুকুর-১, স্বরূপগঞ্জ ও ফকিরডাঙা ঘোলাপাড়া। এই ব্লকের শহরাঞ্চল বাবলারি দেওয়ানগঞ্জ, চার মাজদিয়া ও চার ব্রহ্মানগর সেন্সাস টাউন তিনটি নিয়ে গঠিত। ব্লকটি নবদ্বীপ থানার অধীনস্থ। ব্লকের সদর মহেশগঞ্জ।

কৃষ্ণগঞ্জ ব্লক

কৃষ্ণগঞ্জ ব্লকের গ্রামীণ এলাকা সাতটি গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়ে গঠিত। এগুলি হল: ভজনঘাট টুঙ্গি, জয়ঘাটা, মাটিয়ারি বানপুর, তালদহ মাজদিয়া, গোবিন্দপুরে, কৃষ্ণগঞ্জ ও শিবনিবাস। এই ব্লকে কোনো শহরাঞ্চল নেই। ব্লকটি কৃষ্ণগঞ্জ থানার অধীনস্থ। ব্লকের সদর কৃষ্ণগঞ্জ।

কল্যাণী মহকুমা

নদিয়া জেলার একটি প্রশাসনিক মহকুমা। মহকুমাটির মোট আয়তন ৫২৬.৫৭ বর্গ কিলোমিটার। ২০১১ সালের জনগণনা অনুযায়ী কল্যাণী মহকুমার মোট জনসংখ্যা হল ৮,৯১,৫৬৩ জন। মোট জনসংখ্যার ২৩.২৭ শতাংশ মানুষ গ্রামীণ এলাকাতে এবং ৭৬.৭৩ শতাংশ মানুষ শহরে বসবাস করেন। এই মহকুমার সদর দপ্তর কল্যাণী শহরে অবস্থিত। কল্যাণী মহকুমা ৩ টি থানা নিয়ে গঠিত। মহকুমার পূর্ব সীমান্তে উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বনগাঁ মহকুমা, দক্ষিণ সীমান্তে উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বারাসত সদর মহকুমা ও ব্যারাকপুর মহকুমা, পশ্চিম সীমান্তে হুগলী জেলার চুঁচুড়া মহকুমা এবং উত্তর সীমান্তে নদীয়া জেলার রাণাঘাট মহকুমা অবস্থিত।

মহকুমায় ৩ টি সমষ্টি উন্নয়ন ব্লকে মোট ২৭ টি গ্রাম পঞ্চায়েত রয়েছে:

কল্যাণী ব্লক ৭ টি গ্রাম পঞ্চায়েতের সমন্বয়ে গঠিত।

এগুলি হল- চান্দুরিয়া ২, সরাটি, মদনপুর ১, মদনপুর ২, শিমুরালি, সগুনা এবং কাঁচড়াপাড়া।

চাকদহ ব্লক ১০ টি গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়ে গঠিত।

এগুলি হল- চান্দুরিয়া ১, শিলিন্দা ১, শিলিন্দা ২, হিংনাড়া, দেউলি, দুবরা, ঘেটুগাছি, তাতলা ১, তাতলা ২ এবং রাউতাড়ি।

রিণঘাট ব্লক ১০ টি গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়ে গঠিত।

এগুলি হল- বেরোহি –১, হরিণঘাটা –১, কাষ্টডাঙ্গা -২, নগরউখরা –১, বেরোহি –২, হরিণঘাটা –২, মোল্লাবেলিয়ার, ফতেপুর, কাষ্টডাঙ্গা -২ এবং নগরউখরা -১।

........................................................................................................................................................