বেশি মাত্রায় নাক ডাকার কারনে হতে পারে গুরুতর বিপদ

বেশি মাত্রায় নাক ডাকার কারনে হতে পারে গুরুতর বিপদ

আজবাংলা   ঘুম কমবেশি সকলেরই প্রিয়। কিন্তু ঘুমের সাথে সাথে আরও একটি বিশয়ের উদ্ভব হয়। সেটি হল নাক ডাকা। শুনতে মজার লাগলেও এটি থেকে হতে পারে ভয়ঙ্কর বিপদ। খেয়াল করলে দেখা যাবে, আমাদের আশেপাশে অনেকেই এমন আছেন যারা ঘুমনো মাত্রই নাকা ডাকা শুরু করে।

অনেকের নাকের মধ্যে অতিরিক্ত মাংস বৃদ্ধির ফলে নাকের নালি ছোট হয়ে শ্বাসপ্রশ্বাসে বাধার সৃষ্টি করে। শরীরের ওজন বেড়ে যাওয়ার গলার চারপাশে চর্বি জমা হয়। এরফলে কমে যায় গলার পেশির নমনীয়তা। তখন নাক ডাকার সমস্যা হতে পারে।

এর পাশাপাশি, জন্মগত কারণে শ্বাসযন্ত্র সরু হলে বা চোয়ালে কোনও সমস্যা থাকলে নাক ডাকতে পারে। এছাড়া, থাইরয়েডের সমস্যা ও গ্রোথ গরমোনের আধিক্যজনিত রোগেও নাক ডাকতে পারে। অনেক সময় চিত হয়ে ঘুমোলে জিভ পিছনে চলে গিয়ে শ্বাসনালি বন্ধ করে দেয়।

তবে, এই বিশেষ অভ্যাসটি বদলের খুব প্রয়োজন। নাহলে আশঙ্কা রয়েছে বড় রকমের বিপদের। ধূমপান, অতিরিক্ত অ্যালকোহল বা ঘুমের ওষুধ এই নাক ডাকার সমস্যা বাড়িয়ে দেয়। এবার আসুন দেখে নেওয়া যাক কি কি ধরনের বিপদ বা সমস্যা হতে পারে, কেবলমাত্র নাক ডাকার কারনে।

শুধুমাত্র পুরুষরাই নয়। গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রেও হতে পারে বিপদ। তাঁদের ঘুমের মধ্যে নাক ডাকলে বিপদ হতে পারে গর্ভস্থ সন্তানেরও। একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, গর্ভবতী নারীরা সপ্তাহে কমপক্ষে তিন রাত্রি নাক ডাকলে তাঁদের সন্তানের ওজন অন্যান্য নারীর সন্তানের তুলনায় কম হয়।

ঘুমের মধ্যেই হতে পারে হার্ট অ্যাটাক। হতে পারে স্লিপ অ্যাপনিয়াও। ডেকে আনতে পারে ভয়ঙ্কর বিপদ। তবে, এখনো সাবধান হওয়ার সময় আছে। এরসাথে গ্রহন করুন  উপযুক্ত ডাক্তারি পরামর্শ। নিন। তবে, ঘাবড়ানোর কিছু নেই। ঘরোয়া পদ্ধতিও কিছু রয়েছে।

নাক ডাকা বন্ধ করারও উপায় রয়েছে। শোয়ার ভঙ্গি বদলান, ধূমপান ছাড়তে হবে,মসলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন, ওজন কমান, শরীরচর্চা করতে হবে, মানসিক দুশ্চিন্তা কমান।