ঝরঝরে সংস্কৃত স্তোত্রপাঠ! ৮ বছরে অদ্রিজা এ বার ‘ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডস’-এ

ঝরঝরে সংস্কৃত স্তোত্রপাঠ! ৮ বছরে অদ্রিজা এ বার ‘ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডস’-এ

৮ বছরের একরত্তি অদ্রিজা মুখোপাধ্যায়। ছোট থেকেই মা-বাবার সাহচর্যে নাচ-গানে সিদ্ধহস্ত। প্রতিভার শেষ এখানেই নয়। ৮ বছরেই সে শিখে নিয়েছে সংস্কৃত স্তোত্রপাঠ। নির্ভুল উচ্চারণে সে একটানা বলে যেতে গায়ত্রী মন্ত্র থেকে গোটা দু্র্গা স্তোত্র। ডায়মন্ড হারবারের ওয়ান্ডার গার্লকে নিয়ে ইতিমধ্যেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে দেশ জুড়ে। মাত্র ৮ বছরেই সে ছিনিয়ে এনেছে সেরার শিরোপা।

নাম উঠেছে ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডসে (India Book Of Records)। পেশায় পুলিশ কর্মী রাজীব মুখোপাধ্যায় ও মৌসুমী মুখোপাধ্যায়ের একমাত্র মেয়ে অদ্রিজা পাঠভবনের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী। ৫ মিনিটেই সে এঁকে দিতে পারে ৭-৮ টি চরিত্রের ছবি। বাড়িতে রোজ পুজো দেন বাবা রাজীব। বাবার থেকে শুনে শুনে স্তোত্রপাঠও শিখে ফেলেছে অদ্রিজা।

রপ্ত করে নিয়েছে স্তোত্রপাঠের ধরনও। পাশাপাশি, নাচ-গান-আবৃত্তিতে মা মৌসুমীর কাছেই প্রাথমিক হাতে খড়ি অদ্রিজার। তার এই সমস্ত গুণকে এবার স্বীকৃতি দিল ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডস (India Book Of Records)।  অদ্রিজার এই সাফল্যের সমস্ত কৃতিত্বই মা মৌসুমীকে দিয়েছেন রাজীববাবু। মৌসুমী দেবী মেয়ের এই সব গুণ প্রকাশ পেতেই আর দেরি করেননি তিনি।

মেয়ের সমস্ত কর্মকাণ্ড ভিডিয়ো করে পাঠিয়ে দিতে থাকেন নানা ভার্চুয়াল প্রতিযোগিতায়। করোনা আবহে লকডাউন হওয়ায় আরও বেশি চর্চার সুযোগ পেয়েছে অদ্রিজা। গত বছর অক্টোবরে, ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডসে অনলাইনে অদ্রিজার নাম জমা দেয় তার মা-বাবা। ছোট মেয়ের কীর্তি মন ভরিয়ে দেয় বিচারকদের। সেরার শিরোপায় নাম ওঠে অদ্রিজার। গত ৪ ফেব্রুয়ারি, বুধবার অদ্রিজার বাড়িতে আসে মেডেল ও শংসাপত্র। খুশিতে আত্মহারা মুখোপাধ্যায় পরিবার। ভবিষ্যতে পড়াশোনার সঙ্গে নাচ-গান নিয়ে আরও চর্চা করার ইচ্ছে আছে ছোট্ট অদ্রিজার।