বাংলায় টুইট করে বাঙালিদের মন জিতলেন নিউ ইয়র্কের কংগ্রেসওম্যান আলেক্সান্দ্রিয়া ওকাসিও-করটেজ

বাংলায় টুইট করে বাঙালিদের মন জিতলেন  নিউ ইয়র্কের কংগ্রেসওম্যান  আলেক্সান্দ্রিয়া ওকাসিও-করটেজ

আজ বাংলা  আলেক্সান্দ্রিয়া ওকাসিও-করটেজ। ডাক নাম এওসি। অনেকেই এখন এই নামটির সাথে পরিচিত। মার্কিন কংগ্রেসে কনিষ্ঠতম সদস্য হিসেবে তিনি রেকর্ড করেছেন। আমেরিকান কংগ্রেসে যোগদানের পর প্রথম হাউজ ফ্লোরে নানা সময়ে নানা কারণে আলোচনায় এসেছেন। বিশেষ করে বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিভাবসন বিরোধী বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের তীব্র সমালোচনা তাকে নিয়ে এসেছে সবার সম্মুখে। আলেকজ়ান্দ্রিয়া ওকাসিয়ো কর্তেজ়ের উত্থানের সঙ্গে উচ্চারিত হচ্ছে এক বাঙালি তরুণের নামও।

তিনি সৈকত চক্রবর্তী, আলেকজ়ান্দ্রিয়ার চিফ অব স্টাফ।টেক্সাসের ফোর্ট ওয়ার্থ শহরের আদি বাসিন্দা সৈকত স্নাতক হয়েছেন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। তার পরে ওয়াল স্ট্রিটে কিছু দিন কাটানোর পরে চলে যান ক্যালিফর্নিয়া। সেখানে ‘মকিংবার্ড’ নামে ওয়েব ডিজ়াইন সংক্রান্ত একটি ‘টুল’ তৈরিতে হাত লাগান আর এক জনের সঙ্গে। টানা আট বছর ছিলেন সিলিকন ভ্যালিতে। ২০১৫ সালে প্রযুক্তির দুনিয়া ছেড়ে সেনেটর বার্নি স্যান্ডার্সের জন্য কাজ করতে নামেন। তবে একটি মার্কিন পত্রিকার দাবি অনুযায়ী, সৈকত স্নাতক স্তরে পড়াশোনার পরেই চেয়েছিলেন নিজের সংস্থা খুলতে।

কিন্তু কাজের দুনিয়ায় পা রাখার পরে তাঁর মোহভঙ্গ হয়।স্যান্ডার্সের প্রচার-দলে যোগ দেওয়ার পরেও সৈকত নিশ্চিত ছিলেন না যে তিনি ঠিক সমাধান খুঁজে পেয়েছেন কি না! তবে সেই দলেই তাঁর সঙ্গে দেখা হয় আলেকজ়ান্দ্রা রোজাস এবং করবিন ট্রেন্টের।আমেরিকার প্রতিনিধি নিউ ইয়র্কের ১৪তম কংগ্রেসনাল জেলা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গেছেন ২টি টুইট করার ফলে। টুইটে আলেক্সন্দ্রিয়া মানুষদের অনুরোধে করছে আমেরিকান শুমারী অনুশীলনে অংশগ্রহণ করার জন্য। শত শত বাঙালিরা মুগ্ধ হয়েছেন উনি বাংলা ভাষা বাছাই করে নিয়েছে বলে এবং সেটার  সঙ্গে জড়িয়ে থাকা রাজনৈতিক লাভ।

 আলেক্সান্দ্রিয়া ওকাসিও-করটেজের জেলায় প্রচুর বাঙালির বসবাস করে সেটা নিয়ে অনেকেই আঙ্গুল তুলেছে ও কিছু মানুষ ওনার বাংলা ভাষা ভুলটুটি খুঁজে চলেছে। টুইট দুটি জুলাইয়ের ২৮ ও ২৯ তারিকে পোস্ট করা হয়, মানুষদের  অনুরোধ করে আদমসুমারীর ফর্ম পূরণ করার জন্য। রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের জুলাই ২১ তারিকের স্মারকলিপি অনুযায়ী অভিবাসীদের ২০২০ জনগণনায় গণ্য করা হবে না আইনী কাজগপত্র না থাকলে এবং কংগ্রেসনাল জেলা পুনরায় আঁকা হবে। পিসেফোলজিস্ট বিশ্বনাথ চক্রবর্তী জানালেন, "এটি শুধু মাত্র একটি কৌশল বা স্ট্রাটেজি বাঙালি জনগনের সাথে মিশে যাওয়ার প্রচেষ্টা। আগের বছর আমরা দেখেছি ট্রাম্প নরেন্দ্র মোদীর সাথে ভারতীয়-আমেরিকার ভোটারদের প্রভাব ফেলতে চেয়েছিলেন।"এই টুইট ২টি বাঙালি ভোটারদের গুরুত্ব বুঝিয়েছে। বাঙালি জনগনের উপর প্রভাব ফেলতে চাইলে বাংলা ভাষায় কথা বলার চেয়ে ভালো পদ্ধতি আর হয়না।এটা ধারনা করা হচ্ছে আলেক্সান্দ্রিয়া ওকাসিও-করটেজের দলে নিশ্চয়ই কোনও বাঙালি আছে।