করোনা গেরোয় আটকে কেমো নিচ্ছেন না? তাহলে ডেকে আনছেন মহা বিপদ

করোনা গেরোয় আটকে কেমো নিচ্ছেন না? তাহলে ডেকে আনছেন মহা বিপদ

আজ বাংলা: কেমোথেরাপি....এই জিনিসটি ক্যানসার রোগীর কাছে কত বড় বিভীষিকা শব্দ তা হয়তো আমরা কল্পনাও করতে পারব না।

যদিও ক্যানসারের মত মারাত্মক অসুখককে জব্দ করতে অত্যন্ত কার্যকর এই চিকিৎসা পদ্ধতি। বর্তমানে গোটা বিশ্বে থাবা বসিয়েছে মারণ করোনা ভাইরাস। এদিকে অনেকেই নভেল করোনা ভাইরাসের ভয়ে কেমোথেরাপি নেওয়া বন্ধ রেখেছেন। কেননা কোভিড ১৯ এর সংক্রমিতের সংখ্যা বাড়তে বাড়তে একদিনে প্রায় লাখে পৌঁছে গেছে।

কিন্তু তাই বলে ক্যানসারের চিকিৎসা বন্ধ করা একেবারে যুক্তিহীন বলে মনে করেন চিকিৎসকরা। আর কেমো নেওয়া বন্ধ করে দিলে আপনি জীবনে অনেক বড় বিপদ ডেকে আনবেন।

ক্যানসার কোষের বিস্তার আটকাতে এবং রোগীকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে কেমোথেরাপির সাহায্য নেওয়া হয়। নভেল করোনা ভাইরাসের ভয়ে মাঝ পথে চিকিৎসা বন্ধ করে দিলে ক্যানসার ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বেড়ে যায় বলে সাবধান করলেন এক চিকিৎসক।

কেমোথেরাপির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে জ্বর, পেটে ব্যথা, বমির মত লক্ষণ দেখা যায়। এই সব উপসর্গের সঙ্গে আবার করোনার লক্ষণের মিল থাকায় অনেকেই কেমোথেরাপি নিতে ভয় পাচ্ছেন। ভাবছেন কেমোথেরাপি করিয়ে বোধহয় করোনায় আক্রান্ত হয়ে গেলেন।

জানা গিয়েছে, আন্তর্জাতিক গাইডলাইন মেনেই কেমোথেরাপির মাত্রা ঠিক করে দেওয়া হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই 'ডে কেয়ার'-এ কেমোথেরাপি দেওয়া হয়। সকালে ভর্তি করে কেমোথেরাপি নিয়ে বিকেলের দিকে রোগী বাড়ি ফিরে যান। তবে কিছু কিছু ওষুধ আছে যেগুলি সারা দিন ধরেই নিতে হয়।

আবার রোগীর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল না থাকলে চিকিৎসক মনে করলে রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি রেখে কেমোথেরাপি দেওয়া হয়। তবে এখনকার পরিস্থিতিতে রোগীকে কোভিড-১৯ পরীক্ষা করিয়ে নিয়ে তারপর কেমোথেরাপি দেওয়া উচিত।

কোভিড পজিটিভ হলে রোগীকে ১৪ দিন কোয়রান্টাইনে রাখার পর পুনরায় পরীক্ষা করিয়ে নিয়ে ক্যানসারের চিকিৎসা করানো উচিত বলে পরামর্শ দিয়েছেন এক ক্যানসার বিশেষজ্ঞ। গা হাত পা ব্যথা, জ্বর ও অ্যানিমিয়া সহ রোগীরা করোনা সংক্রমণের কথা ভাবলেও পরীক্ষা করে দেখা যায় এঁদের বেশিরভাগই রক্তের ক্যানসারে আক্রান্ত।