পাহাড়ে ফুটেছে দুর্লভ প্রজাতির এক ফুল, আবার এক যুগ পর ফুটবে , আজই ঘুরে আসুন  

পাহাড়ে ফুটেছে দুর্লভ প্রজাতির এক ফুল, আবার এক যুগ পর ফুটবে , আজই ঘুরে আসুন  

মহামারির আতঙ্কে অনেকেই বের হচ্ছেন না বাড়ি থেকে, আবার অনেকেই ভ্যাক্সিন নিয়ে সাহস করে বেরিয়ে পরছেন।যদি একটু ঘুরতে যেতেই চান তাহলে ঘুর আসতে পারেন কর্ণাটকের এই  পাহাড় থেকে। পাহাড়টির নাম মণ্ডলপট্টি পাহাড়। কর্ণাটকের এই মণ্ডলপট্টি পাহাড়ের উচ্চতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৪০৫০ ফিট। মেডিকেরি শহর থেকে এই পাহাড়ের দূরত্ব মাত্র ১৮ কিলোমিটার। পুষ্পগিরি অভয়ারণ্যের একটা অংশ এই মণ্ডলপট্টি পাহাড়ে অবস্থিত। মণ্ডলপট্টি অরণ্যে রয়েছে ওয়াচ টাওয়ার। সেখান থেকে সূর্যাস্ত দেখা বা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখা যায় অনায়াসে।

মণ্ডলপট্টি পাহাড় জুড়ে ফুটেছে দুর্লভ প্রজাতির নীলকুরিঞ্জি ফুল। পাহাড়ে ফুটেছে দুর্লভ প্রজাতির নীলকুরিঞ্জি ফুল। দুর্লভ এই কারণে যে এই ফুল প্রতি ১২ বছরে একবার ফোটে।  মানে প্রতি একযুগ অন্ত এই ফুলের দর্শন পান সকলে। সেই দুর্লভ ফুলেই এখন ছেয়ে গেছে মণ্ডলপট্টি পাহাড়। শুধু কর্ণাটকই নয়, কেরালা, তামিলনাড়ুতেও এই ফুল ফোটে।সেখানেও ১২ বছর অন্তরই এই ফুল ফোটে।  তামিলনাড়ুর পালিয়ান উপজাতির লোকেরা দিন মাস বছর গণনা করেন এই ফুলের প্রস্ফুটন দেখে । প্রধানত নীলগিরি পাহাড় অঞ্চলের ফুল বলে এর নাম নীলকুরিঞ্জি।

দেখতেও নীলচে বেগুনি। নীলকুরিঞ্জি ফুল সাধারণত ১৩০০ থেকে ২৪০০ মিটার উঁচুতে ফোটে। গুল্মজাতীয় বহুবর্ষজীবী এই গাছের উদ্ভিদের উচ্চতা সাধারণত ৩০ থেকে ৬০ সেন্টিমিটার। সর্বোচ্চ ১৮০ সেন্টিমিটার পর্যন্তও এই উদ্ভিদকে বড় হতে দেখা গেছে।  জিপ রাইডিং বা রোড ট্রিপের জন্য মেডিকেরি থেকে মণ্ডলপট্টি পাহাড়ের রাস্তাটি দারুণ জনপ্রিয়। এই পাহাড়টিই এখন পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হযে দাঁড়িয়েছে।