চুল ও ত্বকের জন্য অলিভের উপকারীতা সম্বন্ধে জানুন

চুল ও ত্বকের জন্য অলিভের উপকারীতা সম্বন্ধে জানুন

আজ বাংলা: অলিভ অয়েল, শুধুমাত্র রান্না নয়, আমাদের ত্বকের জন্যেও খুবই উপকারী। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন ই, সি সমৃদ্ধ জলাইয়ের তেল ত্বক ও চুল সুন্দর রাখে। তাহলে আসুন জেনে নিন ত্বকের যত্নে জলপাইয়ের তেলের উপকারিতা সম্বন্ধে। 

ত্বকে যেভাবে অলিভ অয়েল কাজ করে...

১) জলপাইয়ের তেল ‘এসেনশিয়াল ফ্যাটি অ্যাসিড’ সমৃদ্ধ, এটা মাখার পর ত্বক কোমল ও মসৃণ হয় ও এবং আর্দ্রতা রক্ষা করে। জলপাইয়ের তেল মালিশ কেবল রক্ত সঞ্চালনই বাড়ায় না পাশাপাশি ত্বক সুস্থ ও সুন্দর রাখতেও সহায়তা করে।

২) জলপাইয়ের তেল ত্বক পরিষ্কার করে। ত্বকে জলপাইয়ের তেল মালিশ করলে তা লোমকূপে প্রবেশ করে ময়লা ও ধুলার সঙ্গে মিশে জলের সাহায্যে বের করে আনতে সহায়তা করে। তাই মুখ পরিষ্কারের আগে জলপাইয়ের তেল মালিশ করে নিতে পারেন। 

৩) এমনকি মেক আপ তুলতে জলপাইয়ের তেল সবচেয়ে ভালো কাজ করে। এটা ত্বক কোমল রাখার পাশাপাশি ত্বকের ময়লা দূর করতে সাহায্য করে।মেকআপ তুলতে তুলার বলে জলপাইয়ের তেল নিয়ে মুখ মুছে নিন। এরপর মৃদু ফেইস ওয়াস দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে নিন।


৪) জলপাইয়ের তেল ত্বক টানটান রাখতে সহায়তা করে। তাই ত্বকের দাগ ছোপ কমাতে ও সতেজভাব আনতে প্রতিদিন জলপাইয়ের তেল মালিশ করতে পারেন।

৫) যাঁদের খুশকির সমস্যা রয়েছে, তাঁরা সপ্তাহে দু’দিন ভাল করে মাথায় এই তেল ম্যাসাজ করুন। তেলের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে নিলে খুব ভাল ফল পাওয়া যায়।

৬) অলিভ অয়েলের সঙ্গে অল্প নারকেল তেল মিশিয়ে চুলের আগা তাতে চুবিয়ে রাখুন। এতে চুল নরম থাকে, এবং ফাটার সম্ভাবনা থাকে না।
খ্রিস্টপূর্ব প্রায় অষ্টম শতাব্দী থেকে অলিভ গাছের সঙ্গে পরিচিত হয়েছে মানুষ। স্পেনে সব থেকে বেশি পরিমাণে এই গাছ পাওয়া যায়। তার পরেই রয়েছে ইতালি ও গ্রিস।কিন্তু, ব্যবহারের দিক থেকে গ্রিসের নাম রয়েছে একেবারে উপরে। এর কারণ, অলিভ তেলের নানা গুণাগুণ।