বাংলাদেশ এর প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষায় যুক্ত হল প্রোগ্রামিং বা কোডিং

বাংলাদেশ এর প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষায় যুক্ত হল প্রোগ্রামিং বা কোডিং

ঢাকা   ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, যৌক্তিক চিন্তাভাবনার জন্য প্রোগ্রামিং শিখতে হবে। যদি কেউ প্রোগ্রামিং বা কোডিং জানেন, তাহলে তার কাছে পৃথিবীর কোন কাজই কঠিন না। শনিবার বিকেলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নিয়ে লালমাটিয়া আপন উদ্যোগ ফাউন্ডেশনে আয়োজিত তিন দিনের স্ক্র্যাচ প্রোগ্রামিং ক্যাম্পের সমাপনী অনুষ্ঠানে একথা বলেন মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

ইএমকে সেন্টার ও বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। প্রাথমিক শিক্ষায় কোডিং এর ওপর শিক্ষক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম প্রণয়ণের এই ক্যাম্পে ২১টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা অংশ নেন।  স্ক্র্যাচ প্রোগ্রামিং নিয়ে এমন উদ্যোগে শিক্ষকদের অংশগ্রহণ করায় ধন্যবাদ জানান ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী।

তিনি বলেন, এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম প্রণয়নের মাধ্যমে আপনারা এমনভাবে প্রোগ্রামিং শেখানোর পদ্ধতি তৈরি করবেন, যেন শিক্ষার্থীদের প্রোগ্রামীং ভীতিটা গোড়া থেকেই দূর হয়ে যায়। অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট লেখক ও শিক্ষাবিদ ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল বলেন, সব কিছুর মূল সমাধান লুকিয়ে আছে শিক্ষায়। যখনই কোন সমস্যা হয়, আমি বলি, সর্বক্ষেত্রে শিক্ষা বিস্তার করো।

এতেই সমাধান হয়ে যাবে। আপনারা শিক্ষার্থীদের জীবনযাপনের জন্য এই কাজটিই করছেন। উপস্থিত শিক্ষকদের হাতে তিনি সার্টিফিকেট তুলে দিয়ে একথা বলেন। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের প্রাথমিক শিক্ষাক্রম কমিটির সদস্য প্রফেসর ড. এ কে এম রিয়াজুল হাসান বলেন, নতুন কারিকুলাম অনুযায়ী প্রাথমিক শিক্ষায় স্ক্র্যাচ প্রোগ্রামিং তৃতীয় শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণিতে যুক্ত করা হয়েছে।

নতুন কারিকুলামে পরীক্ষা পদ্ধতির মূল্যায়ন বদল করা হয়েছে। এছাড়া ধারাবাহিক মূল্যায়নের উপরে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে ইএমকে সেন্টারের প্রোগ্রাম অফিসার আয়শা সিদ্দিকা, সোয়াপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পারভেজ হোসাইন, বাংলাবাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ইসরাত জাহান বক্তব্য রাখেন।

ক্যাম্পে অংশগ্রহণকারী শিক্ষকরা হলেন, হাজি সদর আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রওনক আফরোজা, ৪৫ নং মাধায়াপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের লাবনী রাণী সাহা, নামা কাতলাচাঁন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শাহ আলম, ইখারি কাতেঙ্গা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের লিপিকা পাত্র, আদবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মোসা. হানিফা সুলতানা,

গোকুলনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সালমা বেগম, বোগোইর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ফানসিনা আলম, রোকুন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জোবেদা আক্তার,পিরপুর ২ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাজিম উদ্দীন জুয়েল, খিদিরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এ টি এম আশরাফুল আলম, নুমাগড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নুসরাত শায়লা, হাতিরদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাহবুবুল আলম,

বাংলাবাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ইসরাত জাহান, তেঁতুলিয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মোঃ মাসুদ রানা, শাআন্তাহার হারভি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রতন কুমার বসাক, পল্লি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বি এম অসিউন, ওয়ারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সখীনুর আকতার, নবাব ফয়জুন্নেসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আনিসুর রহমান, কারেক্টরেটস স্কুল অ্যান্ড কলেজের মোঃ আল আমীন, কাউনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মহিমা বেগম, বনশ্রী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রায়হানা হক।