সেচ দফতরের দুর্নীতি হাত থেকে বাঁচতে কি বিজেপির বিরধিতায় রাজীব

সেচ দফতরের দুর্নীতি হাত থেকে বাঁচতে কি  বিজেপির বিরধিতায় রাজীব

ইয়াসে কেন বাঁধ ভেঙে গ্রাম তলিয়ে গিয়েছে তা নিয়ে ভয়ঙ্কর অভিযোগ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি তদন্তের নির্দেশও দিয়েছেন। বাঁধ নির্মাণে দুর্নীতি নিয়ে জবাব দিয়েছেন প্রাক্তন সেচমন্ত্রী তথা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু এখনও পর্যন্ত এবিষয়ে মুখ খোলেননি আরেক প্রাক্তন সেচমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়।

বুধবার হুগলির শ্রীরামপুরে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন কল্যাণ। সেখানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ''সকলের এখন বোধোদয় হচ্ছে। কিন্তু নির্বাচনের আগে হয়নি। আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেচ দফতরের তদন্ত করছেন। সেই তদন্তের হাত থেকে বাঁচার জন্য তিনি সহানুভূতি কুড়োবার পরিকল্পনা করছেন।'' যদিও নিজে একবারও রাজীবের নামোচ্চারণ করেননি কল্যাণ।

কিন্তু তাঁর ইঙ্গিত যে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রীর দিকেই তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন। বেসুরো রাজীবকে বেনজির আক্রমণ বিজেপি নেতা অর্জুন সিংয়ের। আজ, বুধবার দিল্লি থেকে ব্যারাকপুরের সাংসদের কটাক্ষ, রাজীব ব্যানার্জি চিরকাল ক্ষমতার সঙ্গে থাকতে পছন্দ করেন। তবে তাঁর তৃণমূলে যাওয়া উচিত হবে না। যদি যান তাহলে ভুল করবেন। পদ্ম শিবিরে থাকলে যে আখেরে রাজীবের লাভই হবে, এদিন তাও স্পষ্ট করে দেন অর্জুন। বলেন, বিজেপিতে থাকলে ২০২৪ সালে উনি বড় নেতা হতে পারবেন।

তাই এখন ওঁর উচিত হাওড়ার মানুষের পাশে থাকা।গতকাল, মঙ্গলবার হেস্টিংসে দলীয় কার্যালয়ে পর্যালোচনা বৈঠকে বসেন রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। ওই বৈঠকে অনুপস্থিত ছিলেন রাজীব। তার আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেন তিনি। রাজীব লেখেন, মানুষের বিপুল জনসমর্থন নিয়ে আসা নির্বাচিত সরকারের সমালোচনা ও মুখ্যমন্ত্রীর বিরোধিতা করতে গিয়ে কথায় কথায় দিল্লি আর ৩৫৬ ধারার জুজু দেখালে বাংলার মানুষ ভালোভাবে নেবে না। এরপরই এদিন রাজীবের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন অরূপ রায়। রাজনৈতিক মহলের বক্তব্য, দল যাতে সহজে তাঁকে না ফেরায় তার জন্যই চাপ সৃষ্টি করতে চাইছেন একদা তাঁর ক্যাবিনেট সতীর্থ।