নিজেই বানিয়ে ফেলুন প্রাকৃতিক উপায়ে কাশির ওষুধ

নিজেই বানিয়ে ফেলুন প্রাকৃতিক উপায়ে কাশির ওষুধ

আজবাংলা   কাশির উপসর্গ হল গলা ব্যথা, বুকে ব্যথা  ও চাপবোধ, শ্বাসকষ্ট, গলার স্বরভাঙ্গা ইত্যাদি৷ এখানে সাধারণ ঠান্ডা লাগা কাশির ব্যাপারে আলোচনা করা হয়েছে৷ এই কাশির জন্য অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়৷ স্কুল কলেজে ক্লাসের সময়, অফিসে কাজের সময় অথবা কোন মিটিং, সিনেমা হলে হঠাৎ করে কাশি শুরু হয়ে গেল; কী যে বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হয়, সেটি সবাই জানে৷

সেজন্য যত তাড়তাড়ি ভালো হওয়া যায় ততই ভালো৷ অনেকে কফ সিরাপ খেয়ে থাকেন কিন্তু এগুলোর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া শরীরের ক্ষতি করে৷আজকের প্রতিবেদনে দেখে নেব সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে কীভাবে কাশির সিরাপ বানানো যায়।

১. ১ কাপ হালকা গরম জলে ১ টেবিল চামচ লেবুর রস ও ১ টেবিল চামচ মধু গুলিয়ে খাবেন। দিনে রাতে ২ বার খেতে হবে। ২. ১ চা চামচ ছেঁচা গোলমরিচ ১কাপ ফুটন্ত গরম জলে ৫ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। চামচ দিয়ে একটু নাড়ুন। ছেঁকে ১ টেবিল চামচ মধু মেশান। দিনে রাতে ২ বার খাবেন। যাদের তরল কাশি, বুকে কফ জমে আছে তাদের জন্য ভালো।

৩. রাতে ঘুমাতে যাবার আগে ১ গ্লাস গরম দুধে ১ টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে খাবেন৷ ৪. একটি প্যানে ১/২ কাপ জল, ১ চা চামচ হলুদের গুঁড়া, ১ চা চামচ ছেঁচা গোলমরিচ, ১ টুকরা দারূচিনি ২/৩ মিনিট জ্বাল দিতে হবে৷ ছেঁকে ১ টেবিল চামচ মধু গুলিয়ে খাবেন৷

৫. একটি প্যানে ৪ কাপ জল, ৪ টেবিল চামচ গ্রেড করা আদা, ১টা লেবুর রস, ৬টি ছেঁচা লবঙ্গ জ্বাল দিয়ে ২ কাপ করুন৷ ছাঁকনায় ছেঁকে ১ কাপ মধু দিয়ে খুব ভালো ভাবে মেশান৷ ঠান্ডা করে বোতলে সংরক্ষণ করুন, ফ্রিজে ২ সপ্তাহ রাখা যায়৷ দিনে রাতে ৩/৪ বার ১ টেবিল চামচ করে খেতে হবে৷ শিশুদের ১ চা চামচ করে ২ বার দিবেন৷ যাদের শুষ্ক কাশি তাদের জন্য এটা ভালো৷

৬. যষ্টিমধু (কবিরাজী দোকানে কিনতে পাওয়া যায়) ২ ইঞ্চি পরিমাণ ১ টুকরা এক গ্লাস জলে জ্বাল দিন, ১৫ মিনিট পর ছেকে নিন৷ পরদিন  সকালে, দুপুরে ও রাতে ৩ বার খাবেন৷ যতদিন কাশি না ভালো হয় ততদিন খেতে হবে৷ এটা শুষ্ক ও তরল এই দু’ধরনের কাশির জন্যই ভালো৷