করলা... তেতো? তাহলে আজই বানিয়ে ফেলুন সুস্বাদু ক্র্যাকিং করলা

করলা... তেতো? তাহলে আজই বানিয়ে ফেলুন সুস্বাদু ক্র্যাকিং করলা

আজ বাংলা: সবথেকে তেতো জিনিস কি? নিমপাতার পরই নাম আসবে করলার। নামটা শুনলেই মুখ বাঁকায় অনেকে। বিশেষ করে শিশুরা। 


তবে এর অনেক গুনাগুন রয়েছে। প্রতিদিন নিয়মিতভাবে করলার রস খেলে রক্তের সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। এই করলায় বিটা ক্যারোটিন ছাড়াও এতে রয়েছে বহু গুণ। করলায় প্রচুর পরিমানে আয়রণ রয়েছে। আয়রণ হিমোগ্লোবিন তৈরি করতে সাহায্য করে। তবে এই করলা দিয়েই আজ বানিয়ে ফেলুন স্ন্যাক্স। 

কী কী লাগবে:

 জল-২ কাপ

 নুন-১ চা চামচ

বড় টুকরো করে কাটা করলা-৩টে

 সরষের তেল-২ চা চামচ, নুন-স্বাদমতো, পেঁয়াজ বাটা- ২ চা চামচ

রসুন বাটা-১ চা চামচ

 আদাবাটা-১ চা চামচ, কাঁচালঙ্কা বাটা-প্রয়োজন অনুযায়ী

নারকেল কুঁচি-১ কাপ

 কাশ্মীরি লঙ্কার গুঁড়ো- ১/২ চা চামচ

 চিনি-১/২ চা চামচ, নুন-স্বাদমতো

মটর ডাল বাটা-১ কাপ

 চালের গুঁড়ো-৪ চা চামচ

 কাশ্মীরি লঙ্কার গুঁড়ো-১/২ চা চামচ

 গোলমরিচ গুঁড়ো-১ চিমটি

ব্যাটার এর জন্য:

প্রথমে একটা পাত্রে মটরডাল বাটা, চালের গুঁড়ো, সামান্য কাশ্মীরি লঙ্কার গুঁড়ো, গোলমরিচ গুঁড়ো, স্বাদমতো নুন দিয়ে ভালো করে ব্যাটার তৈরি করুন। প্রয়োজনমতো জল দিন তাতে। কাঁচা লঙ্কা বাটা দিতে পারেন। এর পর পুর ভরা করলা ব্যাটারে দিয়ে ভালো ভেজে নিলেই তৈরি ক্র্যাকিং করলা।

কিভাবে বানাবেন: সবার প্রথমে কড়াইতে ২ কাপ জল দিয়ে দিন। জল গরম হয়ে গেলে ১ চা চামচ নুন দিয়ে দিন। বড় টুকরো করে কাটা করলাগুলো দিয়ে দিন। জল ফুটে গেলে ১০ মিনিট পর নামিয়ে নিন।

এর পর কড়াইতে সরষের তেল দিয়ে ভালো করে গরম করে নিন। স্বাদমতো নুন দিন। এর পর পেঁয়াজ বাটা, আদা বাটা, রসুন বাটা, প্রয়োজন অনুযায়ী কাঁচা লঙ্কা বাটা দিয়ে দিন। এর পর ওর মধ্যে নারকেলের কুঁচি দিয়ে দিন।

এরপর ভালো করে নাড়তে থাকুন। এর পর ওর মধ্যে কাশ্মীরি লঙ্কার গুঁড়ো, চিনি, স্বাদমতো নুন দিয়ে দিন। হালকা আঁচে ১৫ মিনিট কষিয়ে নামিয়ে নিন।

এর পর সেদ্ধ করে রাখা করলার বীজগুলো ভালো করে বের করে নিন। ওর মধ্যে পুর ভালো করে ভরে দিন। খেয়াল রাখবেন যাতে বাইরে থেকে বেরিয়ে না আসে।