ডলারের তুলনায় টাকার দামে রেকর্ড পতন

ডলারের তুলনায় টাকার দামে রেকর্ড পতন

এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয় বার আমেরিকান ডলারের তুলনায় টাকার দামে রেকর্ড পতন হল। বৃহস্পতিবার বাজার খুলতেই টাকার দাম পড়ে হয় ৭৭.৫৫ টাকা। আর্থিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, অভ্যন্তরীণ শেয়ার বাজারের নিস্তেজ ভাব আমেরিকান বিনিয়োগকারীকে প্রভাবিত করেছে। তার ফলে টাকার দামে আরও এক বার পতন হয়েছে।

বাজারের শুরুতেই টাকার দাম ৩০ পয়সা কমে হয়েছে ৭৭.৫৫ টাকা।  বিদেশি মুদ্রা লেনদেন ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, অপরিশোধিত তেলের দাম ক্রমাগত বেড়ে যাওয়া প্রভাব ফেলেছে টাকার দামে। সে কারণেই টাকার দাম পড়ছে। প্রসঙ্গত, চলতি সপ্তাহে সোমবার আমেরিকান ডলারের তুলনায় টাকার দাম ৫৪ পয়সা কমে হয় ৭৭.৪৪ টাকা।

 মুদ্রাস্ফীতিতে রাশ টানতে গত সপ্তাহেই রেপো রেট বাড়িয়েছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। চলতি সপ্তাহেই দু’বার ডলারের তুলনায় টাকার দামে পতন দেশের শীর্ষ ব্যাঙ্কের কর্তাদের কপালে ফের ভাঁজ ফেলবে। দেশে কারেন্সি বা টাকার দর পড়ার অব্যবহিত প্রতিক্রিয়াই হল মুদ্রাস্ফীতির বৃদ্ধি। চড় চড় করে বাড়তে পারে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর দাম।

বিশেষত জ্বালানির অর্থাৎ পেট্রল-ডিজেলের দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে পারে। পেট্রল-ডিজেলের দাম বাড়লে তা পরিবহন ব্যবসায় আঘাত হানবে। আর পরিবহন ব্যবসায় আঘাত এলে সার্বিকভাবে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর দাম বাড়বে।

 ভারত বর্তমানে বিদেশ থেকে নানা শস্যসামগ্রী আমদানি করে থাকে। এবার টাকার দর কমলে এবং ডলারের দর বাড়লে, তাঁদের আমদানিকৃত সামগ্রীর জন্য বেশি টাকা দিতে হবে। যা ডলারের নিরিখে স্বাভাবিকভাবেই কম হবে। যে কারণে আমদানিকৃত সামগ্রীর দাম দেশের বাজারে বাড়বে।