কর্মচারী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের ভ্যাকসিন নেওয়ার খরচ দেবে রিলায়েন্স

কর্মচারী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের ভ্যাকসিন নেওয়ার খরচ দেবে রিলায়েন্স

সম্প্রতি প্রত্যেক Reliance-কর্মীকে একটি মেইল পাঠালেন Reliance Foundation-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান নীতা অম্বানি (Nita M Ambani)। সংস্থার সমস্ত কর্মী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের নীতা অম্বানির স্পষ্ট বার্তা- ভারত সরকারের করোনার টিকাকরণ কর্মসূচিতে নাম নথিভুক্ত করান। এক্ষেত্রে কর্মীর স্ত্রী, পুত্র, বাবা-মা প্রত্যেকের ভ্যাকসিনেশনের যাবতীয় ব্যয়ভার বহন করবে সংশ্লিষ্ট সংস্থা।

মেইলে Reliance Industries-এর নন-এক্জিকিউটিভ ডিরেক্টর নীতা অম্বানি জানান, পরিবারের প্রত্যেক সদস্যের স্বাস্থ্য ও সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের খেয়াল রাখাটা কর্তব্য। আর কর্মীরা প্রত্যেকেই এই বৃহত্‍ Reliance পরিবারের সদস্য। তাই তাঁদের ভ্যাকসিনেশনের দায়িত্ব নিচ্ছে সংস্থা। তাঁর বক্তব্য, সবার সাহায্য ও সমর্থনেই এই প্যানডেমিক পরিস্থিতির মোকাবিলা করা সম্ভব। তাই লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। হার মানলে চলবে না।

করোনা থেকে বাঁচতে সব সময়ে যাবতীয় প্রাথমিক স্বাস্থ্যবিধি ও নিয়মকানুন মেনে চলতে হবে। বর্তমানে এই করোনা যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে রয়েছি আমরা। একসঙ্গে থেকেই এই লড়াই জয় করা সম্ভব। আর আমরা তা অবশ্যই করব। এর আগে Reliance Family Day-এর দিন সংস্থার চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর মুকেশ অম্বানি (Mukesh Ambani) এবং নীতা অম্বানি জানান, দেশে করোনার ভ্যাকসিনেশন চালু হওয়া মাত্রই সংস্থার সমস্ত কর্মী ও তার পরিবারের সদস্যদের জন্য টিকাকরণের ব্যবস্থা করা হবে। এদিকে নতুন বছরের শুরুতেই সরকারের তরফে করোনার ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু হয়।

বলা বাহুল্য, আগেই ইঙ্গিত মিলেছিল। এবার সেই সূত্রেই নীতা অম্বানির তরফে কর্মীদের এই মেইল পাঠানো হল। চিঠির শেষে কর্মীদের প্রতি Reliance Industries-এর নন-এক্জিকিউটিভ ডিরেক্টরের বার্তা, করোনা হারেগা, ইন্ডিয়া জিতেগা। প্রসঙ্গত, সব মিলিয়ে RIL গ্রুপে কর্মীর সংখ্যা প্রায় ৬ লক্ষ। কর্মীদের পরিবারের সদস্যদের জুড়লে সংখ্যাটা প্রায় ১৯ লক্ষের কাছাকাছি পৌঁছাবে। এবার দেখার, কবে থেকে শুরু হচ্ছে কর্মীদের এই টিকাকরণ প্রক্রিয়া!

প্রসঙ্গত, সপ্তাহদুয়েক আগেই সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা খেয়েছে মুকেশ আম্বানির (Mukesh Ambani) রিলায়েন্স এবং কিশোর বিয়ানির (Kishore Biyani) ফিউচার গোষ্ঠীর মধ্যেকার চুক্তি। দুই গোষ্ঠীর মধ্যে মোট ২৪ হাজার ৭১৩ কোটি টাকার চুক্তিতে আপাতত স্থগিতাদেশ দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। আর এর নেপথ্যে রয়েছে Amzon। ওই চুক্তির ফলে না কি ব্যবসায়িক নিয়মবিধি লঙ্ঘণ করা হয়েছিল। এমনই অভিযোগে শীর্ষ আদালতের কাছে আবেদন জানিয়েছিল Amazon।

সেই মামলার শুনানিতেই অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে । প্রসঙ্গত, দেনার দায়ে জর্জরিত হয়ে রিলায়েন্সকে তার খুচরো ব্যবসা বিক্রি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় ফিউচার গোষ্ঠী। গত বছর অগস্ট মাসে দুই শিল্প গোষ্ঠীর মধ্যে এ নিয়ে চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়েছিল। কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়ায় ফিউচারের অন্যতম অংশীদার Amazon। আইনি পদক্ষেপ নিতে শুরু করে। আর এর পর থেকেই বিতর্ক জারি।