বিশ্বনাথ মন্দির থেকে উদ্ধার ১৬ শতকের প্রাচীন মন্দির

বিশ্বনাথ মন্দির থেকে উদ্ধার ১৬ শতকের প্রাচীন মন্দির

আজবাংলা  হিন্দুশাস্ত্র অনুযায়ী, ভারতের প্রত্যেক মন্দিরে স্বয়ং শিব নিজে আলোকস্তম্ভ রূপে আবির্ভূত হয়েছিলেন। প্রত্যেক জ্যোতির্লিঙ্গের আলাদা নাম আছে, প্রত্যেকটি শিবের আলাদা আলাদা রূপ। বারোটি জ্যোতির্লিঙ্গ মন্দির হল তামিলনাড়ুর রামেশ্বরমের রামেশ্বর, হিমালয়ের কেদারনাথ, মহারাষ্ট্রের ত্র্যম্বকেশ্বর,

গুজরাতের সোমনাথ, গুজরাতের দ্বারকায় নাগেশ্বর, মধ্যপ্রদেশের ওঙ্কারেশ্বর, মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়িনীর মহাকালেশ্বর, মহারাষ্ট্রের ভীমশংকর, ঝাড়খণ্ডের দেওঘরের বৈদ্যনাথ, মহারাষ্ট্রের আওরঙ্গাবাদের ঘৃষ্ণেরশ্বর, অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীশৈলমের মল্লিকার্জুন ও উত্তরপ্রদেশের বারাণসীর বিশ্বনাথ।

বলা হয়ে থাকে, সতীর দেহত্যাগের পর শিব মণিকর্ণিকা ঘাট দিয়ে কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরে এসেছিলেন। কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের কাছে মণিকর্ণিকা ঘাট শাক্তদের পবিত্র তীর্থ অন্যতম শক্তিপীঠ। বর্তমান সময়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাশী বিশ্বনাথ করিডর প্রকল্প, ড্রিম প্রোজেক্ট চলছিল।

করিডর হয়ে গেলে ভক্তরা গঙ্গা স্নানের পর একেবারে মন্দিরে দরবারে যেতে পারবেন। এদিন বৃহস্পতিবারে খোঁড়াখুঁড়ির সময় হঠাৎ বিশ্বনাথ মন্দিরে আবিষ্কৃত হয় ১৬ শতকের প্রাচীন এক মন্দির। আসলে এটি ধ্বংসাবশেষ, এস সাথে মিলেছে একটি সুরঙ্গের খোঁজ।

সূত্র মারফৎ জানা যায়, মন্দিরের পশ্চিমদিকে জ্ঞানভারিদ ময়দানের শ্রিঙ্গার গৌরি মন্দিরে খোঁড়াখুঁড়ি চলছিল। সেই সময়ই মিস্ত্রীরা মাটির নীচে বহু প্রাচীন একটি সুরঙ্গ আবিষ্কার করেন। সাথে সাথে খবর দেওয়া হয় মন্দির কর্তৃপক্ষকে।

এরপর বিশ্বনাথ মন্দিরের প্রধান একসিকিউটিভ অফিসার গৌরাঙ্গ রথি জানিয়েছেন, খননকার্য চলাকালীন নলেজ গ্রাউন্ডে প্রাচীন মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে। এখন প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের খবর দেওয়া হয়েছে। কাশী বিশ্বনাথ করিডর ৬০০ কোটি টাকার প্রকল্প।