বৈশাখীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ রত্নার ,পুলিশের দ্বারস্থ বৈশাখী

বৈশাখীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ রত্নার ,পুলিশের দ্বারস্থ বৈশাখী

জামাই ষষ্ঠীর দিনে ফেসবুকে বৈশাখীর নামের পাশে শোভনযোগ থেকে সম্পত্তি হস্তান্তর, সব মিলিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে। সূত্রের খবর, বুধবার রাতেই রত্না চট্টোপাধ্যায়ের নামে কলকাতা পুলিশ কমিশনারের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সেই অভিযোগের ভিত্তিতে গুরুতর অভিযোগ আনলেন বেহালার বিধায়ক। রত্না চট্টোপাধ্যায়ের কথায়, 'উনি পুলিশ কমিশনারের কাছে গিয়েছেন।

আমি সমস্ত বড় বড় জায়গায়, প্রশাসকদের কাছে যাব। আমি তো মনে করি সম্পত্তি হাতানোর জন্যই উনি ঢুকেছিলেন। শেষ পর্যন্ত সেটাই করেছেন।এবার আমি আমার স্বামীর নিরাপত্তার জন্য সব জায়গায় যাব। স্বামীর প্রাণ বাঁচানোর আর্জি জানাব। সব সম্পত্তি হাতিয়ে এবার শোভন চট্টোপাধ্যায়কে মেরেও ফেলা হতে পারে।' সূত্রের খবর, পুলিশ কমিশনারকে পাঠানো লিখিত অভিযোগে বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন যে রত্না চট্টোপাধ্যায় তাঁকে ও শোভন চট্টোপাধ্যায়কে ল্যাম্পপোস্টে বেঁধে পেটানোর হুমকি দিয়েছেন।

তিনি এও জানান যে প্রাণনাশের আশঙ্কা করছেন এবং ভয়ে রয়েছেন কারণ রত্না চট্টোপাধ্যায় এখন বিধায়ক। তাঁর হাতে এখন অনেক ক্ষমতা। প্রসঙ্গত, বুধবার শোভন চট্টোপাধ্যায়ের সম্পত্তি হস্তান্তরের পর থেকেই তরজা শুরু হয়। বৈশাখীদেবী জানিয়েছেন, এই প্রথমবার নয়। ২০১৮ সালেও রত্নাদেবী তাঁকে ও তাঁর মেয়েকে খুনের চক্রান্ত করেছিল। খুন করতে না পারলে অন্তত যাতে আমার ও আমার মেয়ের মুখে অ্যাসিড মারা যায়, তার ব্যবস্থাও করেছিলেন রত্না।

এমনকী, শোভনবাবুর জন্মদিনে বিষ মেশানো কেক খাওয়ানোর পরিকল্পনাও করেছিল রত্না। ওই কেক পাঠিয়ে শোভনবাবুক হাত দিয়ে আমাকে খাওয়ার পরিকল্পনা করেছিল। যাতে কেক খেয়ে আমার মৃত্যু হয়। আর সেই দায়ে শোভনবাবুর জেল হয়। এ নিয়ে আমি তত্‍কালীন পুলিশ কমিশনারের কাছে অভিযোগ জানিয়েছিলাম।'