বিজেপির হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছাড়লেন মুকুল ঘনিষ্ঠ শঙ্কুদেব পণ্ডা

বিজেপির হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছাড়লেন  মুকুল ঘনিষ্ঠ  শঙ্কুদেব পণ্ডা

এবার বিজেপির হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছাড়লেন  মুকুল ঘনিষ্ঠ তৃণমূল থেকে আশা  শঙ্কুদেব পণ্ডা । বিজেপি যুব মোর্চার সব হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে রবিবার বেরিয়ে গেছেন তিনি। রবিবার সকালে বিজেপি যুব মোর্চার যেকটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ আছে, সবগুলি থেকে বেরিয়ে গেছেন শঙ্কুদেব পণ্ডা। সাম্প্রতিককালে বিজেপির রাজ্য রাজনীতিতে যে হোয়াটসঅ্যাপ বিদ্রোহ লক্ষ্য করা গেছে তাতে নবতম নাম শঙ্কুদেব পণ্ডা।

শঙ্কুদেব পণ্ডা একটি অত্যন্ত চর্চিত নাম। দীর্ঘদিন তৃণমূল কংগ্রেসে থাকার পরে কিছুদিন আগেই তিনি যোগদান করেন বিজেপিতে।রাজনৈতিক মহলে মনে করা হচ্ছে তাঁর এই গ্রুপ লিভ করা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। যদিও কী কারনে তিনি এই গ্রুপগুলি ছেড়েছেন সেই বিষয়ে নিশ্চিত কোনও প্রতিক্রিয়া তাঁর কাছে থেকে এখনও পাওয়া যায়নি। তিনি গ্রুপগুলি ছাড়ার পরে জল্পনা তুঙ্গে উঠেছে যে তিনি কী তাহলে বিজেপি ছেড়ে দিচ্ছেন?

সাম্প্রতিক অতীতে রাজ্য রাজনীতির যে সমিকরণ তাতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নেতা বিধানসভা নির্বাচনের পরে, বিজেপি ছেড়ে আবার ফিরে গেছেন তৃণমূলে। তারপর থেকেই আলোচনা শুরু হয়েছে শঙ্কুদেব পণ্ডার অবস্থান কী সেই বিষয়ে। সূত্র মারফত জানা গেছে যে বঙ্গ বিজেপির স্টিয়ারিং এখন যাদের হাতে রয়েছে, তাদের সঙ্গে শঙ্কুদেব পণ্ডার কোনও মনোমালিন্যের জেরেই গ্রুপ ছেড়েছেন তিনি। যদিও তিনি বিজেপি ছাড়ছেন অথবা তৃণমূলে যোগদান করছেন বলে এখনও জানা যায়নি।

কিছুদিন আগেই খড়গপুরের বিধায়ক হিরণ গ্রুপ লিভ করেন। যদিও তিনি কোনও রাখঢাক না করেই বঙ্গ বিজেপির নেতৃত্বের বিরুদ্ধে নিজের ক্ষোভ উগ্রে দেন।  বারবার এই হোয়াটসঅ্যাপ বিদ্রোহ যে বিজেপি নেতৃত্বের জন্য চূড়ান্ত অস্বস্তির হচ্ছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। সৌমিত্র খাঁ থেকে শুরু করে রবিবার শঙ্কুদেব পণ্ডা অবধি এই বিদ্রোহে রাশ টানতে এখনও অবধি ব্যর্থ বিজেপি নেতৃত্ব।

বিজেপি যুব মোর্চার সভাপতি ইন্দ্রনীল খান জানিয়েছেন, যুব মোর্চার কার্যকরতারা ব্যস্ত আছে কোভিডের তৃতীয় ঢেউ প্রতিহত করার কাজে। সেই কারনেই গ্রুপে কে আছে অথবা না আছে সেদিকে তাকানোর খুব বেশি সময় এখন পাওয়া যাচ্ছে না। টেকনিকাল কারনেও এই ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি।

বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার জানিয়েছেন যে শঙ্কুদেব পণ্ডা কেন গ্রুপ ছেড়েছেন তা এখনও জানা যায়নি। এছাড়াও বিগত কিছুদিনে শঙ্কুদেব দলের কোনও কাজে যোগ দেননি এবং তাঁকে কোনও পদ থেকেও সরিয়ে দেওয়া হয়নি। সেই কারনে অন্যদের গ্রুপ ছাড়ার সঙ্গে শঙ্কুদেবের ঘটনা এক করে দেখা এখনই উচিত হবে না।