শোভন -বৈশাখী তৃণমূলে, কি হবে রত্নার

শোভন -বৈশাখী তৃণমূলে, কি হবে রত্নার

নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে শোভন চট্টোপাধ্যায়-বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাক্ষাতের পর তাঁদের তৃণমূলে প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা জোরালো হয়েছে। সেই প্রসঙ্গে প্রথমে কোনও মন্তব্য করতে চাননি বেহালা পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক। তিনি বলেন, ‘‘এখন আমার কাছে ওঁদের আর কোনও প্রাসঙ্গিকতা নেই। তাই ওঁদের নিয়ে আর কোনও মন্তব্য করতে চাই না।’’

কেন তাঁর কাছে শোভন-বৈশাখী অপ্রসাঙ্গিক? এমন প্রশ্নের জবাব অবশ্য খানিক পরেই দিয়েছেন রত্না। তিনি বলেছেন, ‘‘একবার বৈশাখী ব্যানার্জি বলেছিলেন, তাঁদের কাছে আমার কোনও প্রাসঙ্গিকতা নেই। তাই আমার কাছেও ওঁরা অপ্রাসঙ্গিক।’’ ২০১৭-র নভেম্বর মাসে বেহালার বাড়ি ছেড়ে গোলপার্কের বহুতলের বাসিন্দা হন শোভন।

যে সময় শোভন পর্ণশ্রীর মহারানি ইন্দিরা দেবী রোডের বাড়ি ছাড়েন, রত্না সেই সময় ছিলেন লন্ডনে। কলকাতায় ফিরে বেহালার পর্ণশ্রীর বাড়িতেই ছেলে-মেয়েকে নিয়ে থেকে গিয়েছেন তিনি। আর এই সময়েই বান্ধবী বৈশাখীকে নিয়ে বিজেপি-তেও যোগ দিয়েছিলেন শোভন। কিন্তু বিজেপি-র সঙ্গে শোভন-বৈশাখীর সম্পর্ক সুখকর হয়নি।

 বুধবার তৃণমূলে ফেরার বার্তা দিয়ে নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন শোভন-বৈশাখী। কিন্তু গত সাড়ে চার বছরে শোভনের ছেড়ে যাওয়া বেহালা পূর্ব বিধানসভা ও কলকাতা পুর নিগমের ১৩১ নম্বর ওয়ার্ড— দুইয়ের দায়িত্ব রত্নাকেই দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। যে কারণে শোভন-রত্নার মধ্যে তিক্ততা বেড়েছে প্রতিদিন। বর্তমানে এই দুই দায়িত্বই পালন করছেন রত্না।

তাই শোভন-বৈশাখীকে নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে নারাজ তিনি। শোভন-বৈশাখীর সঙ্গে মমতার বৈঠকের পর তাঁদের তৃণমূলে ফেরা নিয়ে রত্নার বাবা তথা মহেশতলার বিধায়ক দুলাল দাসের মন্তব্য জানতে চাওয়া হয়েছিল। তিনি অবশ্য এই বিষয়ে মন্তব্য এড়িয়ে গিয়েছেন। তবে পাশাপাশি তিনি বলেছেন, ‘‘এ সব ক্ষেত্রে মমতার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।’’