নদীয়ায় এসে তৃণমূল ও পুলিশ প্রশাসনকে সাবধান করে গেলেন শুভেন্দু অধিকারী

নদীয়ায় এসে তৃণমূল ও পুলিশ প্রশাসনকে সাবধান করে গেলেন শুভেন্দু অধিকারী

গয়েশপুর  তৃণমূল যখনই গুন্ডামি করবে, বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা রাস্তায় নেমে তার প্রতিবাদ করবে।' শনিবার বিকালে নদীয়ার গয়েশপুরে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে একথা বলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেদিন তাঁর সঙ্গে ছিলেন সংসদ অর্জুন সিং, বিধায়ক অম্বিকা রায় সহ অনেকেই।গত ১৮ জানুয়ারি গয়েশপুর গোলবাজারে বিজেপির বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি রাম পদ দাস,

ওই সাংগঠনিক জেলার ইনচার্জ প্রদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালানোর ঘটনার অভিযোগ তুলে শুভেন্দু অধিকারী বলেন,' ওইদিন আমাদের দলের পুরো নির্বাচনের প্রস্তুতি মিটিং ছিল। সেই সময় তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সমর্থকরা আমাদের পার্টি অফিসে হামলা চালায়। জেলা সভাপতিসহ অনেকগুলি গাড়ি ভাঙচুর করে।

কর্মীরা মনোবল হারিয়ে ফেলেন। কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করতে এদিন অর্জুন সিংহ কে সঙ্গে নিয়ে আমি গয়েশপুরের বলবা যারে চায় পে চর্চা অনুষ্ঠানে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে কথা বলতে এসেছি। কিন্তু আমার আসার আগে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সমর্থকরা স্লোগান দিয়ে আমাদের দলের একজন বয়স্ক কর্মীর গাড়িতে ভাঙচুর করে। তাকে অল্প বিস্তর মারধর করে।

কিন্তু এসব কোনমতেই বরদাশ্ত করা হবে না। তৃণমূল এসব করলে এবার রাস্তায় নেমে বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা প্রতিবাদ করবেন।' সেদিনের ঘটনা কেন ঘটেছিল, তা জানতে এদিন বয়স্ক বিজেপি কর্মী কে নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী চলে যান গয়েশপুর পুলিশ ফাঁড়িতে। এই ধরনের ঘটনা যেন আর না ঘটে তা তিনি পুলিশকর্মীদের জানিয়ে যান।

রাজ্যে উন্নয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রীর সাথে প্রত্যেক ডিএম এবং এসপির সাথে এক ভার্চুয়াল মিটিংয়ের কথা ছিল আজ, অনেকেই তা গুরুত্ব দেননি আর তাদের উদ্দেশ্যেই শুভেন্দু অধিকারীর হুংকার এসপি এবং ডিএমকে কান খুলে শুনে নেওয়ার কথা বলেন তিনি, আগামী মার্চের মধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকার নতুন এমেন্ডমেন্ট নিয়ে আসতে চলেছেন, তারপরে কেন্দ্রীয় নির্দেশ অমান্য করার সাহস হবে না।