চোখে ঘুম নেই, ঘুমে ব্যাঘাত ঘটে? রইল সমাধান

চোখে ঘুম নেই, ঘুমে ব্যাঘাত ঘটে? রইল সমাধান

আজবাংলা   অনিদ্রা এবং পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব, এই ব্যাপারগুলি নিয়ে কিন্তু সেরকম ভাবে এখনো পর্যন্ত কেউ মাথা ঘামায়নি। এমনকি না ঘুমিয়ে অন্য কাজ করাকে বেশ বাহবাই দেওয়া হয়। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে দিনে 8 ঘন্টার কম ঘুম আমাদের শরীরের বিভিন্ন কার্যকলাপের ওপরে খারাপ প্রভাব ফেলে।

আমাদের মধ্যে অনেকেই জানে না যে ঘুম আমাদের হার্ট এবং ধমনীর নিরাময় এবং মেরামতির কাজ করে। অপর্যাপ্ত ঘুমের কারণে দেখা দেয় খিটখিটে ভাব, মনোসংযোগের অভাব, মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা হ্রাস, ওজন বৃদ্ধি এবং সবথেকে খারাপ ব্যাপার হলো এটি বিষন্নতার একটি বড় কারণ।

তবে, এটি ভীষণরকমের বারাবারি হয়ে যাওয়া আগে আমরা কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি প্রয়োগ করতে পারি। আসলে আমাদের চারিপাশে এমন কিছু খাদ্য আছে, যা দৈনন্দিন ডায়েটে রাখলে ভালো মতন ফল পাওয়া যায়। এবারে আসুন দেখে নেওয়া যাক, কোন কোন খাদ্য খেলে সেটি পর্যাপ্ত ঘুমের মেডিসিন হিসাবে কাজ করবে।

১. কলা-  কলাও কিন্তু ভালো ঘুমের জন্য ব্যাপক ভাবে কাজ করে। কলাতে থাকা ম্যাগনেসিয়াম এবং পটাশিয়াম পেশী এবং স্নায়ুকে রিল্যাক্স করতে সাহায্য করে। এছাড়াও এতে থাকা কার্বোহাইড্রেট আপনাকে প্রাকৃতিক উপায়ে ঘুম পাড়িয়ে দেবে।

২. কাঠ বাদাম বা আমন্ড-  মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধির সাথে সাথে আমন্ড গাঢ় ঘুমেও সাহায্য করে। দুধের মতোই এতে থাকে ট্রিপ্টোফ্যান যা মস্তিষ্কে এবং স্নায়ুতে আরামদায়ক অনুভূতি এনে দেয়। অন্যদিকে ম্যাগনেসিয়াম আমাদের হার্টের ছন্দকে ঠিক রাখে।

৩. গরম দুধ-  দুধে থাকে ট্রিপ্টোফ্যান নামক এমিনো এসিড যা রূপান্তরিত হয় সেরোটোনিনে। সেরোটোনিন মস্তিষ্কে আরামদায়ক অনুভূতির সৃষ্টি করে যা ঘুমের জন্য ভালো। আয়ুর্বেদিক বই এর মতে দুধের সাথে সামান্য এক চিমটি জায়ফল গুঁড়ো, এক চিমটি এলাচের গুঁড়ো এবং গুঁড়ো করা কাজু বাদাম মিশিয়ে নিলে শুধু দুধেরই স্বাদ বাড়ে না, এগুলি ভালো ঘুমেও সাহায্য করে।

এমনকি রসুনযুক্ত দুধও ঘুমের জন্য খাওয়া যেতে পারে। এক কাপ দুধের সাথে 1/4 কাপ জল এবং 1 কোয়া রসুন মিশিয়ে ফুটিয়ে নিন। এটি গরম গরম খেয়ে ফেলুন।

৪. ওটস-  ওটস খেলে কেবল পেটই ভরে না, এটি ওজন হ্রাস করতে সাহায্য করে এবং এটি সেরা নিদ্রা উদ্রেক খাবারগুলির মধ্যে একটি। ওটসের সাথে যোগ করুন অল্প বেরি, মধু এবং খেয়ে নিশ্চিন্তে ঘুমান।

৫. ডার্ক চকলেট-  সেরা নিদ্রা উদ্রেককারী খাবারগুলোর মধ্যে একটি। এতিতে সেরোটোনিন থাকায় এটি মস্তিষ্ককে এবং মনকে শান্ত করে। তার মানে এই নয় যে আপনি যত খুশি ডার্ক চকলেটই খাবেন।