এবার থেকে তেলেভাজাও পাবেন অনলাইনে, উদ্যোগে মোদী সরকার

এবার থেকে তেলেভাজাও পাবেন অনলাইনে, উদ্যোগে মোদী সরকার

আজবাংলা   মহামারীর কারনে অনেক কিছুই পরিবর্তন হয়েছে। এবার কবে থেকে সব কিছু স্বাভাবিক হবে সেই বিষয়ে কেউ কিছুই বলতে পারছে না। এমন করোনার পরিস্থিতির জন্য রাস্তায় বসে বা রাস্তায় দোকান লাগিয়ে যারা ব্যবসা করেন, তাঁরা ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

দীর্ঘ সময় ধরে লকডাউন চলার কারনে তাঁরা দোকান খুলতেই পারেননি। এখন আস্তে আস্তে আনলক হলেও সেইভাবে স্কুল, কলেজ, অফিস, কাছারি সেভাবে চালু হয়নি। এর পাশাপাশি কোন মানুষই ঝুঁকি নিতে নারাজ। সেইকারনে বাইরে ক্রেতাও খুবই কম।

এই সব কারনের জন্য আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে ছোট বিক্রেতারা। এবার তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য এগিয়ে এলো সরকার। এক বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহন করল কেন্দ্রীয় সরকার। এবার থেকে বাড়িতে বসেই ক্রেতাদের মনপসন্দ খাবার বানাতে পারবেন।

এবার থেকে সুইগির মাধ্যমে বাড়িতে চলে আসবে তেলেভাজা থেকে শুরু করে ঘুগনি, পাও ভাজি, ইডলি ইত্যাদি। এখন একটু হলেও সুদিন দেখতে পাবেন বলে আশা বিক্রেতাদের। এর পাশাপাশি তাঁরা মনে করছেন অনেকটাই সুবিধা পাবেন ক্রেতারাও। কারন, সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে লাইন দেওয়ার কোন ঝক্কি ছাড়াই স্ট্রিট ফুড মিলবে একেবারে বাড়িতে বসেই।

এখন ইতিমধ্যেই ২৫০ জন রাস্তার পাশে ব্যবসা করা হকার এই পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। গত সোমবারই সুইগির সঙ্গে এই ব্যাপারে চুক্তি সাক্ষর করেছে কেন্দ্রীয় আবাসন ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রক। চুক্তিতে মন্ত্রকের পক্ষে যুগ্ম সচিব সঞ্জয় কুমার এবং সুইগির পক্ষে চিফ ফিনানসিয়াল অফিসার রাহুল বোথরা সই করেছেন।

আত্মনির্ভর ভারত গঠনের জন্য প্রধানমন্ত্রী করোনাকালের জন্য সমস্যায় পড়া স্ট্রিট ভেন্ডরদের সাহায্যের জন্য একেবারে অল্প সুদে ১০ হাজার টাকা করে ঋণের ঘোষণা করেন। সেই প্রকল্পের নাম দেওয়া হয় প্রধানমন্ত্রী স্ট্রিট ভেন্ডরস আত্মনির্ভর নিধি।

এর পাশাপাশি, স্ট্রিট ভেন্ডরদের অনলাইনে বিক্রি করার প্রশিক্ষণও দেওয়া হবে সরকারের উদ্যোগে। এছাড়া কেউ যদি সময়ের আগেই ঋণ শোধ করে দেয় তাহলে বাড়তি সুযোগও পাবে। কেন্দ্রের দেওয়া তথ্য অনুয়াযী, এখনো অবধি এই প্রকল্পের জন্য ২০ লাখ ঋণের আবেদন জমা পড়েছে।

তাঁদের মধ্যে ৭.৫ লাখ আবেদন মঞ্জুর হয়েছে এবং ২.৪ লাখ আবেদনকারীকে ঋণের টাকা ইতিমধ্যেই দিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখন সেই প্রকল্পের অঙ্গ হিসেবেই স্ট্রিট ফুড হোম ডেলিভারির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।