স্নান করার মন্ত্র

স্নান করার মন্ত্র

সারাদিন ব্যস্ততার মধ্যে আমরা অনেকেই ভগবানের নাম ঠিকমতো নিতে পারিনা। অথবা সারাদিনের কাজ সামলে যখন পুজো করতে বসি, তখন মাথায় ঘোরে বিভিন্ন চিন্তা। একমনে ভগবানের চিন্তা আমরা অনেকেই সঠিকভাবে করতে পারি না। যদিও ভগবান সবকিছুই আমাদের ক্ষমা করে দেন।কিন্তু সারা দিনের কিছু বিশেষ সময় আমাদের রাখা উচিত তার জন্য, যার জন্য আমাদের জীবন সঠিকভাবে পরিচালনা হচ্ছে।

স্নান করা একটি পবিত্র কাজ।স্নান করার সময় কিছু মন্ত্র উচ্চারণ করলেই আপনি আপনার জীবন থেকে দূর করে দিতে পারেন সমস্ত বাধা বিপদ। বলা হয়ে থাকে যে, স্নান করার সময় যদি আপনি পাঠ করতে পারেন তাহলে আপনার জীবন থেকে সমস্ত বিপদ দূর হয়ে যাবে।

আমরা সকলেই জানি যে আমাদের জীবন পাঁচটি সমন্বয়ে তৈরি।

কথিত রয়েছে যে, বাতাস, আগুন, মাটি,আকাশ এবং জলের সমন্বয়ে তৈরি হয়েছে মানব জীবন। এসব কিছুর মধ্যে জলের গুরুত্ব সবথেকে বেশি। তাই বলা হয় জল জীবন। তাই মানব জাতি হোক অথবা অন্য কোনো প্রাণী অথবা স্বয়ং দেবতা, সবাইকে এক সময় মিশে যেতে হয় জলের সঙ্গে।তাই স্নান করলে আমাদের শরীর এবং মন যেমন পবিত্র হয় তেমন আমাদের মন পবিত্র হয় স্নানের সময় কিছু মন্ত্র উচ্চারণ করলে।

যে মন্ত্রের সাহায্যে পবিত্রতাকে আপনার আহবান করতে পারি, সেখানে সাতটি নদীর মিলন ঘটানো হয়।এই মঞ্চে গঙ্গা-যমুনা-সরস্বতী গোদাবরী নর্মদা সিন্ধু এবং কাবেরিকে একসঙ্গে স্মরণ করা হয়। এই নদীর পবিত্রতা এবং সভ্যতা আমাদের জীবনে আনতে পারে সমস্ত সুখ এবং শান্তি। এছাড়া হিন্দু ধর্ম অনুসারে জলদেবতা বরুণ কে যদি তুষ্ট করা যায়,

তাহলে আমাদের শরীরে কোনো রকম বাধা বিপত্তি অথবা রোগ বাসা বাঁধতে পারে না। তাই স্নানের সময় এই মন্ত্র পাঁচবার উচ্চারণ করুন তাহলেই পাবেন আপনি সুফল। তুষ্ট করুন জলদেবতা বরুণ কে। স্নান করার আগে এই মন্ত্র পাঠ করতে হবে পাঁচ বার। বলতে হবে ওম হ্রীং বরুণ দেবতা নম। তাহলেই আপনার জীবন ভরে উঠবে সুখ এবং শান্তিতে।

স্নান করার সময় বলুন

ওঁ গঙ্গে চ যমুনে চৈব গোদাবরি সরস্বতী
নর্মদে সিন্ধু কাবেরি জলেহস্মিন সন্নিধিং কুরু
পরে কৃতাঞ্জলি হয়ে-
ওঁ কুরুক্ষেত্র গয় গঙ্গা প্রভাস পুষ্করিণী চ।
তীর্থান্যেতানি পুণ্যানি স্নানকালে ভবন্ত্বিহ।

[ আরও পড়ুন কল্পতরু উৎসব ]