রাম মন্দিরের ভূমিপুজার অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত হলেন আসাদউদ্দিন ওয়েইসি

রাম মন্দিরের ভূমিপুজার অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত হলেন আসাদউদ্দিন ওয়েইসি

আজবাংলা,   অযোধ্যায় রামের মন্দিরের কাজ শীগ্র শুরু হতে চলছে। এই সময়ে প্রস্তুতি পর্ব তুঙ্গে। রাম মন্দিরের সদস্যরা ও বিজেপি নেতারা মনে করেন, রামের মন্দির শুধুই হিন্ধুদের মন্দির নয় এটি হল সমগ্র ভারতের এক প্রাচীন ঐতিহ্য। রাম মন্দিরের সদস্যরা জানিয়েছেন, মন্দির তৈরির জন্য ভিন্ন ধর্মের মানুষের কাছ থেকে কিছু অনুদান নেওয়া হবে।এর কিছুপরই তেলেঙ্গানা বিজেপির মুখপাত্র ও নেতা কৃষ্ণা সাগর রাও, ভুমিপুজার দিন এআইএমআইএম প্রধান নেতা আসাদউদ্দিন ওয়েইসিকে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানান।

ভুমিপুজার প্রসঙ্গে নেতা কৃষ্ণা সাগর রাও জানান, অযোধ্যার রামের মন্দিরের ভুমিপুজো হবে। সেখানে নরেন্দ্র মোদি  উপস্থিত থেকে মন্দিরের নির্মাণ কার্যের সূচনা করবেন। ওইদিন  রামের জন্মভূমির সকল বাসিন্দারা  মন্দির তৈরির সূচনার ঐতিহাসিক মুহূর্তকে উদযাপন করবেন। সারা বিশ্বের প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা হিন্দুবাসীর এই স্বপ্নকে নিজেদের শাসনকালের মধ্যে সুসম্পন্ন হয়েছে বলে তিনি গর্বিত। মন্দির তৈরির এই সূসময় যারা যারা বাধা দিয়েছিলেন তাদেরকেও পাশে পেতে চান এই বিজেপি নেতা। তিনি আরও এই প্রসঙ্গে বলেন, ‘রাম মন্দিরের বিরোধিতা করার কোনও মানে ছিল না। দেশের সংবিধান অনুযায়ী প্রত্যেকের ধর্মাচরণের অধিকার রয়েছে। তাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও নিজের পছন্দ অনুযায়ী ধর্মাচরণ করতে পারেন। আমি আসাদউদ্দিন ওয়েইসি ও বামপন্থী নেতাদের রাম মন্দিরের ভূমিপুজোয় আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। তাঁরা যদি সত্যিই ধর্মনিরপেক্ষ হন তাহলে ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে নিজেদের সহিষ্ণুতা ও ধর্মনিরেপক্ষ মনোভাবের পরিচয় দিন।’

 এআইএমআইএম প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়েইসি আগের মাসের অর্থাৎ জুলাইয়ের ২৮ তারিখ প্রধানমন্ত্রীর ভূমিপুজোয় উপস্থিত থাকাকে কটাক্ষ করেন। তিনি সেই প্রসঙ্গে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রাম মন্দিরের ভূমিপুজোয় যাওয়া উচিত নয় নরেন্দ্র মোদির। কারণ, প্রধানমন্ত্রী সেখানে যাওয়া মানে সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষতার শর্ত লঙ্ঘন করা। তাই মোদির দেশকে জানানো উচিত, তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ওই অনুষ্ঠানে যাবেন, নাকি ব্যক্তি হিসেবে।’