বিটের কিছু উপকারিতা। যা জানলে আজ থেকেই বিট খাওয়া শুরু করবেন আপনিও।

বিটের কিছু উপকারিতা। যা জানলে আজ থেকেই বিট খাওয়া শুরু করবেন আপনিও।

রোজকার অনিয়মিত জীবনযাত্রা আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দিচ্ছে। কিন্তু কিছু কিছু খাবার আছে যা প্রতিদিন খেলে শরীরকে ভালো রাখার সাথে সাথে শরীরকে নানা রোগ থেকে মুক্তিও দিতে পারে। সেই রকমই একটি পুষ্টিগুণে ভরপুর সবজি হল বিট। চলুন জেনে নেওয়া যাক বিটের উপকারিতা সম্পর্কে—

অ্যানিমিয়া দূর করে : যাদের রক্তাল্পতার সমস্যা রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে বিট খুব উপকারি। কারন এতে আছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন। যার ফলে এটি রক্তাল্পতা কমাতে সাহায্য করে। এবং শরীরে প্রয়োজনীয় রক্তের যোগান দেওয়ার ক্ষেত্রেও সাহায্য করে বিট।

ঋতুচক্রের সমস্যা দূর করে :  ঋতুচক্র সংক্রান্ত কোনও সমস্যা হলে বিটের জুস খান। বিটে থাকা আয়রণ নতুন লোহিত রক্তকণিকা গঠনে সাহায্য করে। যার ফলে ঋতুচক্রের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

হাড় শক্ত রাখতে :  বিট হাড়ের জন্যও উপকার। হাড়কে শক্ত রাখতে হলে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য তালিকাভুক্ত করুন বিটকে। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম যা হাড়ের যেকোনো সমস্যা রোধ করতে উপকারি।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় : বিটের মধ্যে হাই অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে যার ফলে শরীর থেকে টক্সিন বের করতে সাহায্য করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বাড়িয়ে তোলে। এর সর্দি কাশির মতো রোগ থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়। 

ত্বক ও চুলের সমস্যায় : ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে ও ত্বকের বলি রেখার সমস্যা রোধ করতেও সাহায্য করে বিটের জুস। ত্বকের সাথে সাথে চুলের সমস্যা রোধ করতেও সাহায্য করে বিট। চুল পড়া রোধ করতে এবং চুল বৃদ্ধি করতে খুবই উপকারী হল বিট। 

ক্যান্সার প্রতিরোধ করে :  বিটে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ক্যান্সার প্রতিরোধক হিসাবে কাজ করে। যার ফলে বিট ক্যান্সারে আক্রান্ত হবার হাত থেকে বাঁচায়।

দৃষ্টিশক্তির রাড়াতে সাহায্য করে : বিটের মধ্যে বিটা-ক্যারোটিন এবং ভিটামিন এ থাকে। যা রেটিনার ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। যার ফলে দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি পায় এবং চোখে ছানি পড়ার মতো সমস্যা থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়। ১০০-মিলিলিটার বিট জুস এর মধ্যে রয়েছে যত পরিমাণ পুষ্টিগুণ- ক্যালোরি ২৯ , প্রোটিন-০.৪২ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেট -৭.৫০ গ্রাম, সুগার - ৫.৪২ গ্রাম, ফাইবার-০.৪০ গ্রাম।